মেইন ম্যেনু

রোজ সন্ধ্যায় এই কাণ্ডটি ঘটছে বহু মানুষের সঙ্গে, আপনি কি এ থেকে মুক্ত?

হঠাৎ সুস্পষ্ট কোনও কারণ ছাড়াই একরাশ অবসাদ গ্রাস করল আপনার মনকে, মনে হল, কিছুই যেন ভাল লাগছে না, কিংবা মনে যেন ভিড় করছে বিপুল হতাশা। আপনার ক্ষেত্রে এমনটা হোক বা না-হোক, পৃথিবীর অজস্র মানুষের এই অভিজ্ঞতা কিন্তু প্রতিদিন হচ্ছে। বিকেল আর সন্ধ্যার সন্ধিলগ্নে আপনি কি আপনার মনের কোনও পরিবর্তন লক্ষ করেন? যেমন ধরুন, হঠাৎ সুস্পষ্ট কোনও কারণ ছাড়াই একরাশ অবসাদ গ্রাস করল আপনার মনকে, মনে হল, কিছুই যেন ভাল লাগছে না, কিংবা মনে যেন ভিড় করছে বিপুল হতাশা। আপনার ক্ষেত্রে এমনটা হোক বা না হোক, পৃথিবীর অজস্র মানুষের এই অভিজ্ঞতা কিন্তু প্রতিদিন হচ্ছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষাতেও দেখা গিয়েছে, বিকেল এবং সন্ধ্যার মাঝামাঝি সময় টুইটার এবং ফেসবুকে যে পোস্টিংগুলি হয় তাদেরও অধিকাংশেই লেগে থাকে বিষণ্নতার ছোঁয়া। কিন্তু দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় প্রতিদিন এমন অজানা মন খারাপের কারণ কী?

পাশ্চাত্য মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, ‘আফটারনু‌ন ব্লুজ’ নামে পরিচিত এই মনখারাপের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে মনোবিজ্ঞানীরা এর শিকড় খুঁতে পেয়েছেন মানবসভ্যতার ইতিহাসের ধারায়। তাঁরা বলছেন, একেবারে আদিম সমাজ থেকে শুরু করে হাজারখানেক বছর আগে পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনে সন্ধেটা ছিল অবসন্নতার সময়। কারণ তখন দিনের আলো চলে যাওয়ার পরেই কৃত্রিম আলোর অভাবে মানুষকে সময় কাটাতে হত প্রায় কর্মহীনভাবে। এই নিরুপায় কর্মহীনতার একটা অবসাদ রয়েছেই। তাছাড়া সারাদিন কাজ করার পরে বিকেল ও সন্ধ্যার সময় শারীরিক ক্লান্তিও অনুভব করে মানুষ। সেটাও একটা অবসাদ তৈরি করে তার মনে।

মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, কয়েক হাজার বছর ধরে দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় যে অবসাদ বোধ করে এসেছে মানুষ তার জের থেকে এখনও পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি তার মন। সেই কারনেই বিকেল ও সন্ধ্যার সময় প্রায় অকারণেই মন খারাপ হয় পৃধিবী জুড়ে বহু মানুষের। তাছাড়া সূর্যের আলোর কমে আসাও একটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে মানুষের মনে। তারই পরিণামে দেখা দেয়, ‘আফটারনুন ব্লুজ’।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই