মেইন ম্যেনু

রোনাল্ডো না-থাকলেও দল আটকায় না, বুঝিয়ে দিল ইউরোজয়ী পর্তুগাল

ইউরো ফাইনাল নিঃসন্দেহে একপেশে হয়েছে। ফ্রান্স জিততে পারেনি, সেটা সম্পূর্ণ তাদের দায়। বলা হচ্ছে, এই ম্যাচ জিতে না-ফেরাটাই নাকি অপরাধ। একে পর্তুগাল এই ইউরোয় আগাগোড়া ছন্নছাড়া ফুটবল খেলেছে। মাঝে দু’-একটা ম্যাচে তাদের ঝলক দেখা গিয়েছে। কিন্তু কখনওই এমন ফুটবল পর্তুগাল খেলেনি যা দেখে মনে হতে পারে তারা কাপ ঘরে তুলবে।

তার উপরে রবিবার রাতে খেলার প্রথমার্ধেই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো চোট পেয়ে মাঠের বাইরে। রোনাল্ডো হয়তো এই বছর সেরা ফর্মে নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর উপস্থিতিই বিপক্ষকে সর্বদা সতর্ক থাকতে বাধ্য করে।

তৃতীয় ফ্যাক্টর ছিল ফ্রান্সের তুখোড় ফর্ম। গ্রিজমান নামে এক যুবকের স্বপ্নের উত্থান। গোলের সামনে যাঁকে এই ইউরোয় রোনাল্ডো, রুনি-সহ ইউরোপের তাবড় খেলোয়াড়দের থেকে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে।

ঠিক এই তিনটি কঠিন হার্ডল টপকে ইউরো কাপ তুলে নিল পর্তুগাল। স্রেফ একটিই মন্ত্রকে হাতিয়ার করে। টিম গেম। একটা সময়ে ফরাসি আক্রমণের ঢেউয়ে মনে হয়েছিল, এই বুঝি গোল হয়ে গেল। কিন্তু হয়নি। এগারো পর্তুগিজের দাঁতে দাঁত চেপে লড়াইয়ের সাক্ষী হয়ে থাকল এই ইউরোর ফাইনাল। খেলাটা অতিরিক্ত সময়ে টেনে নিয়ে গিয়ে সুযোগ বুঝে পাল্টা আক্রমণে গিয়েছিল পর্তুগাল। অতঃপর এডের-এর গোল। ইউরো চ্যাম্পিয়ন হল পর্তুগাল।

তবে সাইডলাইন থেকে ক্রমাগত সতীর্থদের উৎসাহ জুগিয়ে গিয়েছেন রোনাল্ডো। একসময়ে কোচের সঙ্গে তাঁকেও দেখা যায় দলকে নির্দেশ দিতে।






মন্তব্য চালু নেই