মেইন ম্যেনু

র‌্যাবের নিখোঁজ তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

মঙ্গলবার মধ্যরাতে সারাদেশে নিখোঁজ হওয়া ২৬১ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ এবং মধ্য বয়স্ক, স্কুল, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী। নিখোঁজের তালিকায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নর্থ সাউথ, ঢাকা কলেজ ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বেশি। র‌্যাবের প্রকাশিত নিখোঁজের তালিকা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিখোঁজদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএর শিক্ষার্থী মো. সাজাদ রউফ (২৪)। সে পরিবারের সঙ্গে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় থাকতো। তবে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে তার সঙ্গে পরিবারের কোনো যোগাযোগ নেই। এই মর্মে ৬ ফেব্রুয়ারি ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

র‌্যাবের ২৬১ জনের নিখোঁজের মধ্যে আরেকজন হচ্ছেন ঢাকা কলেজের অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ফিরোজ মিয়া (২৩)। তার বাবার নাম উলফত আলী। গত বছরের ২২ আগস্ট মোহাম্মদপুর থেকে নিখোঁজ হন তিনি।

এছাড়া নিখোঁজের তালিকার মধ্যে রয়েছেন প্রকৌশলী রাহাত বিন আব্দুল্লাহ। তিনি যশোর পলিটেকনিক্যাল থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা শেষে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিতে বিসিএস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন। গত ১৮ জুন থেকে সে মোহাম্মদপুর থেকে নিখোঁজ রয়েছে।

র‌্যাবের প্রকাশিত নিখোঁজের তালিকায় রয়েছে উত্তর বাড্ডার মো. সাব্বির হোসেন শুভ (২২)। সে গুলশানের মানারাত কলেজের বিবিএ’র শিক্ষার্থী। সে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে নিখোঁজ। ৪ জুলাই বাড্ডা থানায় এ সংক্রান্ত একটি জিডি করা হয়েছে।

নিখোঁজের তালিকায় রয়েছে নটর ডেম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মো. মাহমুদুল হাসান রাতুল (২৩)। তার বাবা মো. রওশন আলী খান। রাতুলও তার পরিবারের সঙ্গে আদাবরের বাইতুল আমান হাউজিংয়ে থাকতো। কলেজ শেষ করে রাতুল সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে বিমান চালনার প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। এর মধ্যেই ২০১৫ সালের ১৯ জুলাই থেকে তার কোনো খোঁজ পায়নি পরিবার।

র‌্যাব প্রকাশিত নিখোঁজের তালিকায় অনেকের নাম-ছবিসহ বর্তমান ও স্থায়ী, সর্বশেষ ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ও কয়েকজনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরও নাম প্রকাশ করা হয়েছে। নিখোঁজের ঘটনায় যাদের পরিবার জিডি করেনি এমন অনেকের নাম-পরিচয়ও প্রকাশ করেছে র‌্যাব।

উল্লেখ্য, ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশসহ ২২ জন নিহত হন। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে নিহত হয় ছয় হামলাকারী। এছাড়া ঈদের দিন একই ধরনের ঘটনা ঘটে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ঈদগাহ ময়দানে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত ছিল তারা গত ছয় মাস থেকে এক বছর সময় ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিল। তাই সারাদেশে নিখোঁজদের তালিকা তৈরি করার পদক্ষেপ নেয় র‌্যাব।






মন্তব্য চালু নেই