মেইন ম্যেনু

লামায় অসহায় কৃষকের জায়গা দখলে নিতে প্রতিপক্ষের হামলায় ৭জন গুরুতর আহত

লামায় দিন দুপুরে ভূমি দস্যু মোঃ আব্দুল মজিদের নের্তৃত্বে ৪০/৪৫জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল ধারালো অস্ত্র শস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে আজিজনগরের দেলোয়ার হোসেনের ৪০বছরের ভোগ দখলীয় ৪একর জায়গায় জবরদখলের উদেশ্যে হামলা চালায়। জায়গার মালিক পক্ষ এতে বাধা দিলে জবরদখল কারীরা তাদের বেদড়ক মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে ৭ জন আহত করে। আহতরা লামা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

জানা গেছে, বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের পূর্বচাম্বি এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের ধূাইল্ল্যা পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত মনু মিয়া ছেলে দেলোয়ার হোসেন পৈত্রিক সম্পত্তি মূলে ১৯৮০-৮১ সালে আর/৬৬৫ নং হোল্ডিং এর ৪একর ২য় শ্রেণী জায়গায় ভোগদখল সহ বসতি স্থাপন করে আসছে। উক্ত জমির পাশে ৪ একর খাস জমি হেডম্যান রিপোর্ট মূলে ভোগদখল থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর আবাদ করে আসছে। উক্ত ভোগ দখলীয় জায়গাটি জবর দখল করার উদ্দেশ্যে ১৬ জুন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় ভূমি দস্যু মোঃ আব্দুল মজিদ প্রকাশ মজুর নের্তৃত্বে ৪০/৪৫জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল ধারালো অস্ত্র শস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে জবরদখল করার চেষ্টা করলে দেলোয়ার হোসেন ও তার পরিবারের লোকজন বাধা দেয়। বাধা দিলে ভূমি দস্যুরা এলোপাতারি মারধর ও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের ৭জন গুরুতর আহত হয়।

আহতরা হলেন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন(৩৮) পিতা- মৃত মনু মিয়া, মোঃ আমির হোসেন(৪০) পিতা- মৃত মনু মিয়া, ফিরুজা বেগম(৩২) স্বামী- মোঃ দেলোয়ার, হোসনেয়ারা(৩০) স্বামী- মোঃ আবুল, ফজর বানু(৩০) স্বামী- মোঃ হারুণ, কহিনুর বেগম(৩৪) স্বামী- মোঃ আমির হোসেন ও মনু মিয়া(৫৫) পিতা- মৃত আব্বাস আলী। আহতরা লামা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানান কর্তব্যরত ডাঃ মৃদুল কান্তি দেব।
সূত্রে জানা যায়, বিরোধীয় এই জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মামলা স্থিত আছে। ১৭ জুন বুধবার এ ব্যাপারে লামা থানায় স্থানীয় ইউপি মেম্বার সাহেব আলীসহ বৈঠকের কথা ছিল। থানায় বৈঠকের পূর্বেয় ভূমি দস্যু মোঃ আব্দুল মজিদ সন্ত্রাসী কায়দায় লোকজন নিয়ে জায়গাটি জবরদখল করতে আসলে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা যায়।

হামলাকারী আব্দুল মজিদের সাথে মুঠোফোনে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি উক্ত খাস জায়গাটি দেলোয়ার থেকে বন্ধক নিয়ে ৭বছর যাবৎ ভোগ দখলে আছি। আমি উক্ত চারা লাগাতে গেলে ওরা বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।

এ ব্যাপারে লামা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মোঃ করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, উক্ত জায়গা নিয়ে উভয় পক্ষ থেকে লামা থানায় অভিযোগ দেয়া আছে। এ ব্যাপারে বুধবার থানায় বৈঠকের কথা ছিল। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।






মন্তব্য চালু নেই