মেইন ম্যেনু

লামায় ঔষধ কোম্পানী প্রতিনিধিদের মানববন্ধন

লামা-আলীকদম ফার্মাসিউটিক্যালস্ রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) কর্তৃক চাকুরী নিশ্চয়তা ও নীতিমালা প্রণয়নের ৫দফা দাবিতে লামায় মানববন্ধন করেছে। লামা উপজেলা পরিষদের সামনে ১০ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১ঘটিকায় লামা ও আলীকদম উপজেলার সকল ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, লামা-আলীকদম ফারিয়া’র সভাপতি বিশ্বজিৎ বড়–য়ার, প্রধান বক্তা ও উপদেষ্টা রতন দত্ত, অপসোনিন প্রতিনিধি মোঃ হাসেম, জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যারস্ প্রতিনিধি আবুল কাসেম, নাভানা প্রতিনিধি শাহজাহান মনির, ইনসেপ্টা প্রতিনিধি আলিম উদ্দিন সহ প্রমূখ। মানববন্ধন অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, বাবু সজীব দাশ প্রতিনিধি পপুলার ফার্মা।

মানববন্ধনে ফারিয়া নেতারা বলেন, সরকারী পে-স্কেলে ৭ম গ্রেড সম-পরিমাণ আমাদের বেতন নির্ধারণ করতে হবে। মূল্য স্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে টিএ, ডিএ ও অন্যান্য ভাতা প্রদান করতে হবে। চাকুরীর নিশ্চয়তা প্রদান ও একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। ফারিয়া’কে আলাদাভাবে সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি দিতে হবে, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের অভিযোগ ও অধিকারের কথা সরকারের কাছে বলতে পারি। সাপ্তাহিক ছুটি সহ সরকারী সকল ছুটি প্রদান করতে হবে।

প্রধান বক্তা রতন দত্ত বলেন, নতুন পে-স্কেল সরকারী চাকুরীজীবিদের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ায়, তাদের জীবন যাত্রা হয়তো সংক্ষেপে চলবে। কিন্তু আমাদের মত বে-সরকারী কর্মজীবি মানুষ কি পারবে সম্ভাব্য মূল্যস্ফীতির বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে ? একই বাজারে বে-সরকারী খাতের লোকজনদের তো আর ব্যবসায়ীরা কম দামে পন্য দেবে না। তাহলে নিশ্চয়ই কষ্ট বাড়বে আমাদের মত বে-সরকারী কর্মজীবি মানুষের।

লামা-আলীকদম ফারিয়া’র সভাপতি বিশ্বজিৎ বড়–য়া বলেন, আমাদের ঘাম জড়ানো পয়সায় কোম্পানী চলে। এই ঘাম ঝড়ানোর বিনিময়ে কোম্পানীর প্রতিও আমাদের ভালবাসা সব চেয়ে বেশী। বিপননের বাজারে আমরা ডাক্তার, কেমিষ্ট ও কোম্পানীর চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে অনেক লাঞ্চনা-বঞ্চনা হাসি মূখে হজম করি।

আমাদের মানবিক আবেদন বিবেচনায় নিয়ে সরকার ও কোম্পানীর মালিকপক্ষ দাবি সমূহ মেনে নেওয়ার জোর আবেদন করছি।






মন্তব্য চালু নেই