মেইন ম্যেনু

লামা হাসপাতালে ত্রিপুরা কিশোরী পালাক্রমে ধর্ষণের শিকার

লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে গজালিয়া গতিরাম পাড়ার সুমি(১৬) ত্রিপুরা নামের এক আদিবাসী কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষিত সুমি ত্রিপুরা(১৬) সে গজালিয়া গতিরাম ত্রিপুরা বলারাম ত্রিপুরা মেয়ে। লামা থানা পুলিশ এক ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।

লামা থানা মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ আগস্ট সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় সুমি ত্রিপুরাকে তার মা মারধর করায় শারিরীক চিকিৎসার জন্য লামা হাসপাতালে ভর্তি হয়। চিকিৎসা শেষে ১৮ আগস্ট বেলা ১১ টায় হাসপাতাল থেকে সুমি ত্রিপুরাকে ছাড়পত্র দেয় লামা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সুমি ত্রিপুরা তার জখমি সনদের জন্য হাসপাতালে কর্মচারীদের কাছে বললে হাসপাতালে স্টাফ নুর মোহাম্মদ ও শাহ আলম মেডিকেল সনদ ব্যবস্থা করে দিবে মর্মে আশ্বস্থ করে। মেডিকেল সার্টিফিকেটের জন্য অপেক্ষমান সুমি ত্রিপুরাকে অসৎত উদ্দেশ্য হাছিলের জন্য নানা তালবাহানা করে তাকে রেখে দেয়।

এদিকে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় হাসপাতাল পাড়ার মিরাজ মাঝির ছেলে সেলিম (২৭) মেয়েটিকে হাসপাতালের সম্মুখ থেকে জোর পূর্বক হাসপাতাল সংলগ্ন মাতামুহুরী নদীর পাড়ে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। ধর্ষিতা হওয়ার পর মেয়েটি আশ্রয়ের জন্য লামা হাসপাতালে আসলে কর্তব্যরত নার্স তাকে আশ্রয় দেয়। অতঃপর সুযোগ পেয়ে লামা হাসপাতালের এমএলএসএস নুর মোহাম্মদ ও শাহ আলম উক্ত ধর্ষিতাকে ১৮ আগষ্ট রাত ৮টার দিকে লামা উপজেলা হাসপাতালের ডিউটিরতদের বিশ্রাম কক্ষে জোর পূবর্ক নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষন করে পাষন্ড এই ধর্ষকরা।

এবিষয়ে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ লামা উপজেলার শাখার সভাপতি উইলিয়াম ত্রিপুরা বাদী হয়ে লামা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ইং এর ৯(৩) ধারায় মামলা রুজু করে। মামলা নং-০৭, তারিখ-১৯/০৮/২০১৫ইং।

মামলার আইও লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যে এজাহার ভুক্ত আসামী লামা হাসপাতালের কর্মচারী নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর দু’জনকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষা করা জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই