মেইন ম্যেনু

লাল মরিচেরও আছে স্বাস্থ্য উপকারিতা

ভীষণ গরম ও তীব্র ঝাঁঝালো লালমরিচ জনপ্রিয় মসলার অন্যতম। এরা ক্যাপসিকাম প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন প্রকার রান্নায় এদের আস্ত বা গুঁড়া করে ব্যবহার করা হয়। লালমরিচ চীনেও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। লাল মরিচে আছে ভিটামিন এ, সি, বি৬ এবং ই। এছাড়াও পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন ও কপার এবং ফ্লাভনয়েড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে লাল মরিচে। লাল মরিচের কেপ্সাইসিন তাপ উৎপন্ন করে। নিয়মিত সামান্য পরিমাণে লাল মরিচ গ্রহণের বিভিন্ন রকমের স্বাস্থ্যউপকারিতা আছে। চলুন জেনে নেই সেগুলো সম্পর্কে।

১। যন্ত্রণারোধী উপাদান
পেটের সমস্যা, আলসার, গলা ব্যথা, ডায়রিয়া ও যন্ত্রণাকর কাশির সমস্যা সহজ করতে পারে লাল মরিচ।

২। ঠাণ্ডারোধী ও ফ্লু এর এজেন্ট
লাল মরিচ ঘন শ্লেষ্মাকে ভেঙ্গে চলতে সাহায্য করে। শরীর থেকে শ্লেষ্মা বের হওয়ার সাথে সাথে ফ্লু এর লক্ষণগুলোও দূর হয়।

৩। ছত্রাক নাশক
গবেষণায় দেখা গেছে যে, লাল মরিচ ছত্রাকের গঠন প্রতিহত করতে পারে।

৪। মাইগ্রেন প্রতিরোধে
শরীরের বিভিন্ন স্থানের ব্যথার প্রতিক্রিয়াকে উদ্দীপিত করতে পারে মরিচ। এর ফলে মস্তিস্কের মনোযোগ অন্যদিকে প্রত্যাবর্তন করে। এই প্রাথমিক ব্যথার অনুসরণ করে নার্ভ ফাইবার পি পদার্থ নিঃশেষ করে। পি পদার্থ হচ্ছে ব্যথার রাসায়নিক। এর ফলে ব্যথার উপলব্ধি হ্রাস পায়।

৫। অ্যালার্জি রোধী
লাল মরিচ অ্যালার্জি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৬। হজম সহায়ক
মরিচ হজমে সহায়তা করে। পাচক রস ও এনজাইমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে পরিপাক নালীকে উদ্দীপিত করে। আন্ত্রিক গ্যাস নিঃসরণেও সাহায্য করে মরিচ। এটি অন্ত্রের সংকোচনশীল গতিকে উদ্দীপিত করে আত্তীকরণ ও বর্জনে সহায়তা করে।

৭। রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিহত করে
এথেরোস্কেলেরোসিস কমতে সাহায্য করে লাল মরিচ। ফাইব্রিনোলাইটিক কার্যাবলীকে উৎসাহিত করে এবং রক্ত জমাট বাঁধাকে প্রতিহত করে। এই কাজ গুলো হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
এছাড়াও লাল মরিচ লালার উৎপাদন বৃদ্ধি করে, শরীরকে বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে, অস্থিসন্ধির ব্যথা কমায়, ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে, ওজন কমতে সাহায্য করে, কোলেস্টেরলের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে লাল মরিচ।






মন্তব্য চালু নেই