মেইন ম্যেনু

লাল সবুজের বর্ণিল সাজে রাজধানী

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২৬ মার্চ। দিনটি মুক্তিযুদ্ধ সূচনার গৌরবের দিন। বিশ্বের বুকে লাল-সবুজের পতাকা ওড়ানোর দিন। বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির এ দিনটিকে স্বরণে রাজধানী ঢাকাকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক, স্থাপনা, অফিস-আদালতে করা হয়েছে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা। সন্ধ্যার পর লাল সবুজের আলোতে ঝলমলিয়ে ওঠে এলাকাগুলো। আলোকসজ্জায় রঙিন ঢাকা যেন পরিণত হয়েছে একখণ্ড লাল সবুজের পতাকায়।

রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিল, পল্টন, দৈনিক বাংলা, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বিভিন্ন রঙের ও বর্ণের এসব আলোকসজ্জা উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। মনকাড়া এমন আলোকসজ্জায় মুগ্ধ অনেকেই।

ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা করা হয়েছে। ভবনে বাতির ঝলমলিয়ে ফুটে উঠছে লাল সবুজের জাতীয় পতাকা, সামনে স্মৃতিসৌধের এক পাশে অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধারা অন্যপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতীকী ছবি।

এছাড়াও মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় সোনালী ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, জীবন বীমা ভবনসহ বড় বড় স্থাপনা সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে।

রাজধানীর এ আলোকসজ্জা দেখে মুগ্ধ কর্মব্যস্ত মানুষ। অনেকে ঘুরে ঘুরে দেখছেনে আবার অনেকে সুন্দর এ দৃশ্য ক্যামেরায় ধারণ করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে এসব আলোকসজ্জা দেখছিলেন কলেজ ছাত্র সামিউল। তিনি বলেন, আমরা ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। স্বাধীনতা আমাদের প্রেরণা। আর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে সাজানো এমন মনমুগ্ধকর দৃশ্য স্বচোখে না দেখলে কেউ উপভোগ করতে পারবে না। তাই বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছি। আজ সারা শহর ঘুরবো আর দেখবো।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করতে নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চালায় বর্বর গণহত্যা। চাপিয়ে দেয় বিভীষিকাময় যুদ্ধ। পরে দীর্ঘ নয় মাসে মরণপণ লড়াই করে বাংলার দামাল সন্তানরা ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতার লাল সূর্য।






মন্তব্য চালু নেই