মেইন ম্যেনু

লাশ দাফনের পর জানা গেল তিনি ছিলেন সচিব

কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটেল জোনের কলাতলীর হোটেল ‘সী-হ্যাভেন’ এর গেস্ট হাউজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যাকারী ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। গত মঙ্গলবার লাশটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।

নিহতের নাম দেলোয়ার হোসেন। তিনি ভূমি মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার কক্সবাজার এসে পরিচয় সম্পর্কে সংবাদকর্মীদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের বড় ছেলে রাজিব হোসেন। এসময় তিনি বাবার মৃত্যু নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করতে অনুরোধ করেন।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে কলাতলীর হোটেল ‘সী-হ্যাভেন’ এর ১০১ নং কক্ষ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের পর কোনো পরিচয় না পাওয়ায় লাশটি ১ মার্চ বেলা তিনটার দিকে শহরের ঘোনারপাড়ার বড় কবরস্থানে দাফন করে কক্সবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও জানান, লাশ দাফনের পর তার কাছে পাওয়া আগের এক মোবাইল নম্বর থেকে জানা যায় তিনি সাবেক সচিব। তিনি ওয়ান ইলেভেন এর সময় দুদকের সচিব ও সাভারের বিপিএটির সাবেক রেজিস্ট্রার ছিলেন। তার বাড়ি চাঁদপুরের কঁচুয়ায়।

ওসি আসলাম হোসেন বলেন, লাশের সঙ্গে উদ্ধার করা হয় আট পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট। তবে সেখানে আত্মহত্যার জন্য তিনি কাউকে দায়ী করেননি বা কোনো কারণ উল্লেখ করেননি।

বাংলা-ইংরেজি সংমিশ্রণে লেখা নোটটিতে মহান মনীষীদের কথামালার মতো তিনি অনেক কিছুই লিখেছেন। লাশটি কেউ পেয়ে থাকলে ভাল কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে কক্সবাজারেই দাফনের কথা লিখেছেন তিনি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, হোটেল কক্ষের ফ্যানের সঙ্গ গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়েছিল। সেখান থেকে উদ্ধার করা সুইসাইড নোটে শুধুমাত্র তার নাম ছিল, হোটেলের খাতায় এন্ট্রিতে পরিচয় ছিল না।

এ ব্যাপারে হোটেল সী-হেভেন গেস্টহোম এর জিএম শেখ মকবুল আহমদ বলেন, তিনি দুই মাসের জন্য গত ৩ ফেব্রুয়ারি হোটেলে উঠেন। দুই মাসের ভাড়া বাবদ ২৪ হাজার টাকা জমা দেন। হোটেলে এসে নিজের নাম শাহরিয়ার কামাল বললেও ঠিকানা ও অন্য কিছু না জানতে অনুরোধ করেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই