মেইন ম্যেনু

লিফটে চড়ে চাঁদে!

অসাধ্য সাধনা সাধন করতে যাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা, যা শুনলে চমকে উঠার কথা। কি সেই সাধনা? চাঁদে পা রাখার ঘটনা কেটে গেছে অনেক অনেক বছর। এতদিন মানুষ চাঁদে গেছে মহাকাশযানে চড়ে। এখন সেই চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে চান। নতুন উদ্ভাবনের অপেক্ষায়। তবে কীভাবে?

সাধনা পূরণ করতে চান নাকি লিফটে বা এলিভটরে ঢুকে বোতাম টিপে। এতেই সাঁই করে চলে যাওয়া সম্ভব চাঁদে! রসায়নের এক যুগান্তকারী আবিষ্কারে নাকি পা রাখছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে স্পেস এলিভেটরের ধারণা অবশ্য নতুন নয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহে যাওয়া, মহাকাশ স্টেশনে যাওয়া বা চাঁদে পৌঁছনোর জন্য বার বার মহাকাশযান উড়িয়ে আর যেতে চান না। এতে নাকি বিপুল খরচ।

তাই স্থায়ী স্পেস এলিভেটর বানিয়ে নেয়ার কথা মহাকাশ গবেষকরা অনেক আগেই ভেবেছিলেন। সেই ভাবনা বাস্তবে সম্ভব হলে মহাকাশে যাওয়ার পদ্ধতিও অনেক সহজ হবে। গবেষণার প্রয়োজনে যখন তখন মহাকাশে যাওয়া যেত। কিন্তু স্পেস এলিভেটর তৈরির চিন্তা মাথায় এলেও তা বাস্তবায়ন ততটা সহজ নয়।

এটা বাস্তবায়নে নানা রকমের চ্যালেঞ্জ। সবচে’ বড় চ্যালেঞ্জ উপযুক্ত থ্রেড বা রশি তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এবার এমনই থ্রেড আবিষ্কার করে ফেলেছেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে আবিষ্কৃত সবচেয়ে মজবুত বস্তু। এমনটাই দাবি বিজ্ঞানীদের।

এই থ্রেডের নাম দেয়া হয়েছে ডায়মন্ড ন্যানো থ্রেড। হীরার বজ্রকাঠিন্যের কথা মাথায় রেখেই এমন নামকরণ। রসায়নের অধ্যাপক জন ব্যাডিংয়ের নেতৃত্বে এ বিষয়ে গবেষণা হয়েছে। উদ্যোগ ঠিক পথে এগোলে মহাকাশ গবেষণার এক অবিশ্বাস্য নতুন দিগন্ত খুলবে।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই