মেইন ম্যেনু

লো প্রেসারে ভুগছেন কিনা যেভাবে বুঝবেন

হাইপো-টেনশন’ বা লো ব্লাড প্রেসার তখন হয় যখন শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত ঠিকমতো পৌঁছতে পারে না। এর ফলে নানা ধরনের জটিলতা শরীরের মধ্যে তৈরি হয়। লো প্রেসারের ফলে শরীরের নানা অঙ্গে রক্ত না পৌঁছতে পারার কারণে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ফেলিওরের মতো নানা গুরুতর অসুখ হতে পারে।

রক্ত পরীক্ষা, রেডিওলজিক স্টাডিজ ও কার্ডিয়াক টেস্টের মাধ্যমে লো প্রেসারের সমস্যাকে নির্ধারণ করা সম্ভব। আর সেইমতো উপযুক্ত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে রক্ত পরীক্ষা না করেও লো প্রেসার হয়েছে কিনা বা তা হতে চলেছে কিনা তা বোঝা যেতে পারে। এর নির্দিষ্ট কতকগুলি লক্ষণ রয়েছে। নিচের স্লাইডে জেনে নিন সেগুলি সম্পর্কে।

মাথা ঘোরা লো প্রেসারের সবচেয়ে কমন লক্ষণ হল মাথা ঘোরানো। যে অবস্থায় আপনি রয়েছেন, তা থেকে অন্য অবস্থায় যাওয়ার সময় অর্থাৎ, অনেকক্ষণ বসা থেকে ওঠার সময় বা হঠাৎ করে বসে পড়ার সময়ে মাথা ঘুরিয়ে ওঠে।

মূর্চ্ছা যাওয়া লো প্রেসারের ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার ফলে মানুষ হঠাৎ করে মূর্চ্ছা যায় বা জ্ঞান হারাতে পারে।

ঝাঁপসা দৃষ্টি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন না হওয়া, অক্সিজেনের অভাবে নানা অঙ্গ ভালো করে কাজ করে না। তার মধ্যে চোখও পড়ে এবং দৃষ্টি ঝাঁপসা হয়ে ওঠে।

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন লো প্রেসারে হৃদপিণ্ড সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অনুজ্জ্বল ত্বক লো প্রেসার হলে ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। ত্বকের বাইরেও অংশে রক্ত ঠিকমতো সঞ্চালিত হতে না পারার কারণে এটি হয়ে থাকে।

শক্ত ঘাড় রক্ত চাপ, হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে ঘাড়ের মাংসপেশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানে প্রেসার কমে গেলেই ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।

ঘাম রক্তচাপ কম হলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে ফ্লুয়িড ঘামের আকারে বেরিয়ে যায়। লো প্রেসারের রোগীদের অত্যধিক ঘাম হলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।






মন্তব্য চালু নেই