মেইন ম্যেনু

শফিক রেহমানের জামিন আবেদন হাইকোর্টে খারিজ

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ও ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে ‘অপহরণ ও হত্যাচেষ্টা’ মামলায় আটক সাংবাদিক শফিক রেহমানের করা জামিন আবেদন খারিজ করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে এই জামিন আবেদন খারিজ করেন। জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান। তিনি জানান, শফিক রেহমানকে রিমান্ডে নেয়া যাবে না বলেও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শফিক রহমানের করা জামিন আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি করে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি আতাউর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে তা খারিজ করে আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেছেন সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এজে মুহাম্মদ আলী। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এহসানুর রহমান।

এর আগে ২৫ মে বুধবার শফিক রেহমানের জামিন চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন আইনজীবী। নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি। গত ৫ মে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। তবে এক আবেদন শুনানির পরিপ্রেক্ষিতে হাকোর্টের নির্দেশনায় কারাগারে তাকে ডিভিশন দেয়া হয়েছে।

গ্রেফতার করার পর প্রথম দিন সাংবাদিক শফিক রেহমানের পাঁচ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ২২ এপ্রিল আবার সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে পুলিশ। ওইদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় দফায় আরো পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।

গত ১৬ এপ্রিল সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেনের বাসা থেকে শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি পুলিশের কার্যালয়ে নেয়া হয়। ওইদিন দুপুরে তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়। তিনি বর্তমানে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

২০১১ সালে যুক্তরাজ্যে গিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় গত বছরের ৩ আগস্ট পল্টন থানায় দণ্ডবিধি আইনের ১২০-বি ধারায় এ মামলা করেন ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. ফজলুর রহমান।

মামলার এজাহারে বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ ২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এর পেছনে বিএনপি নেতাদের হাত আছে বলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের করা অভিযোগের কথাও এজাহারে উল্লেখ করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই