মেইন ম্যেনু

শরীরের সুস্থতার জন্য ঘাম অপরিহার্য

প্রচণ্ড গরম আবহাওয়া বা গরম স্থানে থাকলে শরীর ঘেমে ভিজে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু বেশি ঘেমে দুর্বলতা অনুভব হওয়ায় এটাকে ক্ষতিকর মনে করা হয়। কারো ক্ষেত্রে ঘাম থেকে সৃষ্টি হয় শরীরে দুর্গন্ধ। আশেপাশের মানুষের জন্য তা হয় চরম অস্বস্তিকর। তাই গরম এলেই বেড়ে যায় দুশ্চিন্তা। নানা ব্র্যান্ডের পাউডার আর বডিস্প্রে দিয়ে ঘামের অস্বস্তি দূর করার চেষ্টা করা হয়। অথচ শরীরের সুস্থতার জন্য ঘাম অপরিহার্য।

অতিরিক্ত গরমের সময় ঘাম শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে। কখনও যদি ঘামের পরিমাণ কমে যায়, তাহলে অতিরিক্ত গরমে মানুষের হিটস্ট্রোক হতে পারে। কখনো আবার মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। গবেষণায় জানা গেছে, শরীরে থাকা প্রায় ৩০ শতাংশ বর্জ্য ঘামের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। এভাবে ঘাম রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়াও ঘামের মাধ্যমে অপসারিত হয়ে থাকে। ফলে চামড়া পরিষ্কার, মসৃণ ও নরম হয়।

তবে কম ঘাম যেমন ঠিক নয় তেমনি মাত্রাতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া অসুস্থতার লক্ষণ। এর ফলে শরীর থেকে পানি বের হয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। অতিরিক্ত ঘামাকে ‘হাইপারহাইডড্রোসিস’ বলে। অনেক কারণে মানুষের হাইপারহাইডড্রোসিস হতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রা এর মধ্যে একটি। এছাড়া অতিরিক্ত মসলাদার খাবার খেলে, শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমা হলে, মানসিক চাপ ও ভয়ের জন্যও হাইপারহাইডড্রোসিস হতে পারে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে পারে এমন ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া সুতি কাপড়ের পোশাক পরতে পারেন। জুতা পরার ক্ষেত্রেও সহজে আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন উপাদান দিয়ে তৈরি জুতা ব্যবহার করা যেতে পারে। শরীর থেকে যখন ঘাম বের হয় তখন তাতে কোনো গন্ধ থাকে না। শরীরের ঘাম যখন ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে তখনই গন্ধ তৈরি হয়। এছাড়া খাবার এবং অসুস্থতার কারণেও ঘামে গন্ধ হয়।






মন্তব্য চালু নেই