মেইন ম্যেনু

শরীর বিক্রি করে তরুণীর নেশার টাকা উপার্জন!

ব্রিটেনের একটি জনপ্রিয় টিভি শো-এ আনা হয় চার্নির মতো চরিত্রদের। চার্নি কে? চার্নিই তিনি, যিনি ড্রাগের নেশায় শরীর বিকোচ্ছেন অহরহ। বলছেন, আমার সমস্যা মেটাতে হবে আমাকেই।

হেরোইনের কবলে পড়েছেন এই চার্নি। নেশা তাকে ছাড়ছে না, তিনিও নেশা ছাড়ছেন না। টিভির পর্দায় অনুষ্ঠানের উপস্থাপক চার্নিকে বলেন, আমার দেখা সবথেকে বিরক্তিকর ব্যক্তি হলেন আপনি। মা হওয়ার কোনও যোগ্যতাই আপনার নেই।

উপস্থাপকের এই অভিযোগ অযৌক্তিক নয়। কেননা, নেশার জন্য নিজের দুই সন্তানকেও দূরে ঠেলে দিতে দু’বার ভাবেননি চার্নি। নয় আর সাত বছরের দুই শিশু এখন বড় হচ্ছে আর এক মহিলার আশ্রয়ে। ভাগ্যিস তারা সেই আশ্রয় পেয়েছিল। নইলে ধুলোয় লুটিয়ে তাদের শৈশব হারিয়ে যেত কোথায়, কে জানে। কেননা, তার দুই সন্তানের কোনও যত্নই নিতেন না চার্নি।

নেবেন, সে সময়ই বা কোথায়। শরীর বিকিয়ে দিনে ৫০ থেকে আড়াইশো পাউন্ড রোজগার করা, তার পরে সেই অর্থে হেরোইন। এই তো তার জীবন। ওই শো-এ চার্নিকে শোনানো হয় তার মেয়ের কণ্ঠস্বর। কিন্তু তাতেও খুব একটা প্রভাব পড়েনি চার্নির উপরে।

তবে এখানেই দাঁড়ি পড়ছে না এই গল্পে। চিকিৎসক অরুণ ঘোষের কাছে ১২ সপ্তাহের রিহ্যাবে পাঠানো হচ্ছে চার্নিকে। টিভি শো-এর উদ্দেশ্যই হল চার্নির মতো মানুষদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা। চার্নিও চললেন সুস্থ হতে। সূত্র: অনলাইন।






মন্তব্য চালু নেই