মেইন ম্যেনু

শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ককারীরা দেশের শত্রু

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চায়, যারা ৩০ লাখ শহীদ নিয়ে বিতর্ক করতে চায় তারা রাষ্ট্রদ্রোহী, তারা দেশের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে নিয়ে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।’

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর রাসেল স্কয়ারে ১৪ দল আয়োজিত এক মানবন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বাংলার মানুষ আজ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। পাকিস্তান অকার্যকর রাষ্ট্র। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে তারা (পাকিস্তান) বাধাগ্রস্ত করতে চায়। কোন বাধাই আমাদের রুখতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়া এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আমরা ধিক্কার জানাই।’

তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি ততক্ষণ কোনো ষড়যন্ত্রই আমাদের কিছু করতে পারবে না। একাত্তরে আমরা বিজয়ী হয়েছি। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা বিজয়ী হয়েছি। আজকেও আমরা বিজয়ী হবো। যারা পরাজিত, তারা পরাজিত থাকবে।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে পাকিস্তান বাংলাদেশে গণহত্যা করেছিল তারা আজও তা স্বীকার করে না। সেই পাকিস্তান আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সাথে পেয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে। পাকিস্তান যে ভাষায় কথা বলে, বেগম খালেদা জিয়াও ৩০ লাখ শহীদ নিয়ে বিতর্ক আছে বলে। খালেদা জিয়া পাকিস্তানের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করেছিল। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, শেখ হাসিনার পতন না করে ঘরে ফিরবেন না। ৯৩ দিন অবরোধ করে আদালতে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে ঘরে ফিরে গেছেন।’

রাসেল স্কয়ারের মানববন্ধন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আব্দুর রহমান প্রমুখ।

‘অকার্যকর, ব্যর্থ, জঙ্গি রাষ্ট্র পাকিস্তানের অব্যাহত বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র, কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড ও আইএসআই’র এদেশীয় দোসর স্বাধীনতা বিরোধী খালেদা জিয়ার মিলিত অপকর্মের’ প্রতিবাদে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই