মেইন ম্যেনু

শান্তি পাওয়ার আশায় সারাগায়ে আগুন লাগিয়ে সাধনা করছেন এই ৬৩ বছরের সন্ন্যাসী

শীর্ণ চেহারা, মাথা জোড়া টাক, সাদা দাড়ি-গোঁফে আবৃত মুখমণ্ডল, পরণে গেরুয়া পোশাক। তামিলনাড়ুর তাঞ্জোরের ৬৩ বছর বয়সি যোগী রাম্ভুস্বামীকে আপাতদৃষ্টিতে আর পাঁচটা হিন্দু সন্ন্যাসীর মতোই মনে হবে। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে তাঞ্জোরে একটু খোঁজখবর করলেই বোঝা যায়, তিনি মোটেই ‘সাধারণ’ নন। কেননা কথিত আছে, অগ্নিযোগী নামে বিখ্যাত এই মানুষটির শরীর আগুনে পোড়ে না।

রাম্ভুস্বামীর সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, আধ্যাত্মিকতার প্রতি তাঁর টান ছিল শৈশব থেকেই। যৌবনে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে যখন তাঁর বয়স ২২ বছর তখন থেকে জল খাওয়া একরকম ছেড়েই দেন রাম্ভুস্বামী। দিনে কয়েকফোঁটার বেশি জল খেতেন না তিনি।

বছর দু’য়েক পরে শুরু হয় তাঁর খাবারদাবার সংক্রান্ত কৃচ্ছ্রসাধন। সারাদিনে দু’টি কলা আর এক গ্লাস দুধ খেয়ে জীবনধারণ করা শুরু করেন তিনি। এখনও সারাদিনে দু’টো কলা, এক গ্লাস দুধ আর কয়েক ফোঁটা জল খেয়েই ক্ষুৎপিপাসা নিবৃত্ত করেন বলে দাবি করেন যোগী রাম্ভুস্বামী। ওজন মাপার যন্ত্রে তাঁকে দাঁড় করালে দেখা যায়, বর্তমানে এই শীর্ণ মানুষটির ওজন মাত্র ৪৩ কেজি।

রাম্ভুস্বামীর খ্যাতি অবশ্য অন্য কারণে। প্রতি বছর বিশ্বশান্তির লক্ষ্যে তিনি এক আশ্চর্য যজ্ঞের আয়োজন করেন। অগ্নিযজ্ঞ নামে পরিচিত এই যজ্ঞে রাম্ভুস্বামী প্রথমে অগ্নিকুণ্ড প্রস্তুত করেন ও তাতে অগ্নি নিক্ষেপ করেন। আগুনের শিখা যখন লেলিহান হয়ে ওঠে তখন সেই আগুনে প্রবেশ করেন তিনি নিজে। আগুন সর্বদিক থেকে ঘিরে ফেলে যোগীকে। আর যোগী আগুনের মধ্যে শুয়ে বরাভয় মুদ্রায় উত্তোলিত করে রাখেন একটি হাত। যজ্ঞ শেষ হলে হাসতে হাসতে অগ্নিবলয় থেকে বেরিয়ে আসেন যোগী, একেবারে অক্ষত দেহে।






মন্তব্য চালু নেই