মেইন ম্যেনু

শিবির মুছলেও মুছে নি লোগো

শাহাদত হোসাইন স্বাধীন, জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগের পলিটিক্যাল ব্লকে আঁকা শিবিবের লোগোটি না মুছে শুধু ‘শিবির’ শব্দটি মুছে ফেলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের নির্দেশের পরও ‘শিবিরের লোগোটি’ না মুছে ফেলায় ওই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভাঙার অভিযোগ এনেছেন সংগঠনটির একাধিক নেতা। এর আগে শনিবার আওয়ার নিউজ বিডি’তে ‘জাবিতে ছাত্রলীগের রুমে শিবিরের লোগো!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর পরই ক্যাম্পাসের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জানতে পেরে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদ রাসেল এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন। জাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দু’জনেই বর্তমানে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে বিষয়টি জানা জানি হওয়ার পর শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে শিবিবের লোগোটি মুছে দেয়া হয় বলে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

তবে সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ‘হলের দেয়ালে আঁকা ‘শিবিরের লোগো টি না মুছে শুধু লোগোর পাশে লেখা ‘শিবির’ লেখাটি লাল রং দিয়ে মুছে দেয়া হয়েছে।’ হলটির ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ না মানার অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাখা ছাত্রলীগের এক নেতা আওয়ার নিউজ বিডি’কে বলেন, বারবার সংগঠনের ‘চেইন অব কমান্ড’ ভাঙার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি ও শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুর রহমান জনি বলেন, নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং নেতাকর্মীরা প্রভোস্টের সঙ্গে কথা বলেছে। প্রভোস্ট নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে রং দিয়ে সেটা মুছে দিয়েছে। আর যদি লোগো থেকে থাকে সেটা তো আর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দায়িত্ব না। কারণ হলের ইনফ্রাস্ট্রাকচারে হাত দেয়ার অধিকার ছাত্রলীগের নেই।

ওই হলের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সংগঠনের ‘চেইন অব কামান্ড’ মানছেন না এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। তারা তো আমার কথা শুনে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান আওয়ার নিউজ বিডিকে বলেন, অবশ্যই মুছে দেয়া হয়েছে। আমি কি তোমার সঙ্গে মিথ্যা কথা বলছি।






মন্তব্য চালু নেই