মেইন ম্যেনু

শিশুদের প্রস্রাব করানোর সময় বড়রা ‘‘হিশ, ‘হিশ…’ শব্দটি করেন কেন? জানলে অবাক হবেন!

শিশুদের প্রস্রাব করানোর সময় অনেক সময় বড়রা মুখ দিয়ে ‘হিশ…..’ ‘হিশ…..’ শব্দটা করে থাকেন। বলা হয়ে থাকে এই শব্দটি করলেই নাকি শিশুরা নিজেদের হাল্কা করার জন্য উৎসাহিত বোধ করে। কিন্তু, এই শব্দটি কেন করা হয়! তা কি কেউ কখনো ভেবে দেখেছেন?

রাশিয়ার বিজ্ঞানী ইভান পাভলভ কুকুরদের নিয়ে একটি পরীক্ষা করে এই রহস্যের সমাধান করেছিলেন। লক্ষ্য করে দেখবেন, মাংস খাওয়ালেই কুকুরদের মুখে কাছে লালা

জমে। পাভলভ একটি কুকুরকে মাংস খাওয়ানোর সময়ে নিয়মিত একটি বেল বাজিয়ে শব্দ করতেন। কয়েকদিন ধরে কুকুরটিকে মাংস খাওয়ানোর সময়ে ওই বেল বাজাতেন ওই বিজ্ঞানী।

এইভাবে কয়েকদিন চলার পরে দেখা গেল, মাংস না দিলেও বেল বাজলেই কুকুরটির মুখে লালা চলে আসত। এর থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়, হজম পদ্ধতি, নিশ্বাস নেওয়া, প্রাকৃতিক কাজগুলি যে স্নায়ুতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে, সেটিকে বাহ্যিক কোনও উদ্দীপক দিয়ে সক্রিয় করা সম্ভব।

ঠিক একইভাবে শিশুরা জন্মানোর কিছুদিন পরে থেকেই তারা প্রস্রাব করার সময়ে বড়রা মুখ দিয়ে ওই বিশেষ শব্দটি করেন। ফলে বেশ কিছু দিন ওই শব্দ শোনার পরে একটা সময়ে বড়রা মুখ দিয়ে ওই বিশেষ শব্দটি করলে শিশুদের নির্দিষ্ট স্নায়ুতন্ত্র প্রভাবিত হয়। ফলে বড়রা মুখ দিয়ে ওই বিশেষ শব্দটি করলেই শিশুদের মস্তিষ্ক মূত্রত্যাগ করার জন্য তাদের শরীরে প্রয়োজনীয় ক্রিয়ার শুরু করে।






মন্তব্য চালু নেই