মেইন ম্যেনু

শিশুর জ্বর কমিয়ে আনুন ঘরোয়া উপায়ে

শরীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমরা জ্বর বলে থাকি। এটি শিশুদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সাধারণত শরীরে অভ্যন্তরীণ কোন ইনফেকশন দেখা দিলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যাকে জ্বর বলা হয়। জ্বর হলে ছোট, বড় সবাই বেশ দূর্বল হয়ে পড়ে। আর শিশুদের যদি জ্বর দেখা দেয়, তবে তো চিন্তার শেষ নেই। সাধারণত অল্প জ্বরকে আমরা গুরুত্ব দেই না, কিন্তু এই জ্বর হতে পারে যেকোন বড় রোগের পূর্ব লক্ষণ। তবে সর্দি, ঠান্ডার জন্য জ্বর হলে তা ঘরোয়া কিছু উপায়ে কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আসুন ঘরোয়া উপায়গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১। শিশুকে বিশ্রাম দিন

অনেক সময় ভ্যাকসিন দেওয়ার কারণে শিশুর জ্বর হতে পারে। এই ক্ষেত্রে শিশুকে বিশ্রাম দিন। খুব বেশি কাপড় শিশুর গায়ে রাখবেন না। অল্প কাপড় গায়ে রাখুন। বেশি কাপড় গায়ে থাকলে তা ঘেমে শিশুর জ্বর আরও বাড়তে পারে।

২। আলু

দুটি আলুর পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার আলুর পেস্টটি শিশুর মোজার ভিতর রেখে দিন। মোজা জোড়া শিশুটির পায়ে পরিয়ে রাখুন। দেখবেন কয়েক মিনিটের মধ্যে শরীরে তাপমাত্রা কমে গেছে। কয়েক মিনিট পর মোজা দুটি খুলে ফেলবেন।

৩। কুসুম গরম পানিতে গোসল

আপনি আপনার শিশুটিকে কুসুম গরম পানিতে গোসল করাতে পারেন। অথবা কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শিশুর শরীরটি স্পঞ্জ করে দিন। পানি তার শরীরের তাপমাত্রা বাষ্প করে বের করে দিয়ে তাপমাত্রা হ্রাস করে দিয়ে থাকে। তবে হ্যাঁ কুসুম গরম পানির পরিবর্তে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন না। ঠান্ডা পানি শিশুর তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি করে দিবে।

৪। তরল খাবার

জ্বর কমাতে শিশুকে তরল খাবার দিন। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করান। এছাড়া টকদই, ফলের রস দিতে পারেন। এটি শিশুকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করবে। এবং আপনার শিশুর শরীর ঠান্ডা রাখবে জ্বর কমিয়ে দেবে।

৫। ভেজা কাপড়

একটি সুতির কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার এই ভেজা কাপড়টি শিশুর কপালে রাখুন। কয়েক মিনিট রাখার পর কাপড়টি তুলে ফেলুন। এইরকম কয়েকবার করুন। কিছুক্ষণের মধ্যে জ্বর অনেক নেমে গেছেন দেখবেন।

৬। ফ্যানের ব্যবহার

আপানার শিশুকে ফ্যানের কাছাকাছি রাখুন। এটি শিশুকে ঠান্ডা করে দেবে। তবে সরাসরি ফ্যানের নিচে রাখেবন না। এতে শিশুর ঠান্ডা লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফ্যান কমিয়ে শিশুকে ফ্যানের কাছে রাখতে পারেন।






মন্তব্য চালু নেই