মেইন ম্যেনু

শীতকালের বাড়তি ওজন এড়িয়ে চলুন সহজেই!

শীতকাল কি কেবল শীতের মাস? না। আসবার সময় নিজের সাথে করে শীতকাল বয়ে নিয়ে আসে হাজার রকমের লোভনীয় খাবারের হাতছানি। সেই সাথে শীত কমাতে বাড়তি স্নেহপদার্থ হজম আর লেপের তলায় ঘন্টার পর ঘন্টা আরামের ঘুম দেওয়ার অভ্যাস তো রয়েছেই। আর এসব একটু একটু করে করা সামান্য ব্যাপারগুলোই একত্রিত হয়ে শীতকালে মানুষের ওজন বাড়িয়ে দেয় অনেকগুন। কিন্তু এবার আর প্রত্যেকবারের মতন শীতকালে গায়ে বাড়তি চর্বি লাগানো নয়, বরং এই ছোট ছোট ব্যাপারগুলোকে মাথায় রেখে নিয়ন্ত্রণ করুন ওজনকে নিজের পছন্দমতন।

১. শরীরচর্চা

শীতকালে শরীর নাড়াতেই যেখানে কষ্ট হয় সেখানে শরীরচর্চার কথা ভাবলে এই ঠান্ডাতেও কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমাটা খুব একটা দোষের কিছু নয়। আর তাই সবসময় না পারলেও কিছু নির্দিষ্ট সময়কে বেছে নিন যেটা আপনার জন্যে শরীরচর্চা করার পক্ষে সুবিধার। এছাড়াও যেটুকু শরীরচর্চা আপনি বাদ দিচ্ছেন নিজের কাজের তালিকা থেকে সেটা করে ফেলতে পারেন খেলা-ধুলোয় ( মেনস ফিটনেস )। কেবল শীতকালকে কেন্দ্র করেই অনেক অনেক খেলা খেলে থাকে মানুষ। অংশ নিন সেগুলোতে আর শরীর থেকে ঝরিয়ে ফেলুন বাড়তি মেদ।

২. খাবার

শীতকালে নানারকমের নতুন স্বাদের শাক-সব্জি পেয়ে থাকি আমরা বাজারে। এছাড়াও সারাবছর পাওয়া যায় এমন খাবারও রয়েছে যেগুলো আপনার ওজন ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করবে এসময়। শীতকালে তাই নিজের খাবার তালিকাতে বেছে বেছে খাবার যোগ করুন আর কমিয়ে ফেলুন ওজন বাড়ার চিন্তা। এক্ষেত্রে আপনি ক্যালোরি পোড়ায় ও পেট ভরিয়ে রাখে এমন খাবার, যেমন- মিষ্টি আলু, হলুদ রঙএর শাক-সব্জী, ফলমূল, লেবু, কমলালেবু, আপেল ও সবুজ সব্জী, ফলমূল ও ওমেগা৩ সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন ( হাফিংটন পোস্ট )। এছাড়াও বছরের এ সময়টায় পার্টি বেশি থাকায় অতিরিক্ত ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া হয়ে থাকে। চেষ্টা করুন সেগুলোকে এড়িয়ে চলতে।

৩. চাপমুক্ত থাকা

মানসিক চাপ আমাদের শরীরের ওজনকে বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। আর শীতকালের এই বছরের শেষ সময়টায় কারো বিয়ে, কারো পার্টি- এমন হাজারটা কাজের চাপ নিয়ে আসে। কোথায় কতটা খরচ করা হবে, উপহার কি দেওয়া হবে, সেটার খরচ কীভাবে সামলানো যাবে- এসব চিন্তায় নিজের ওজন না বাড়িয়ে আগে থেকেই কিছু পরিকল্পনা করে ফেলুন। প্রথমেই একটা আলাদা হিসেব ও সেটার জন্যে বাজেট তৈরি করে রাখুন বাড়তি খরচের। চাপ কমিয়ে দেয় এমন খাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করুন ( হাফিংটন পোস্ট )। সেই সাথে এসময় আসতে থাকা বিয়ের চাপ, কাজ সম্পর্কিত প্রশ্ন ও নানারকম ঝামেলাপূর্ণ জিনিসকে শান্তভাবে পাশ কাটিয়ে নিতে আগেই প্রস্তুত থাকুন।

৪. পরিমিত ঘুম

পরিমিত ঘুম সবসময়েই একজন মানুষের সুস্থতার জন্যে প্রয়োজনীয়। গবেষনায় দেখা গিয়েছে পাঁচ ঘন্টার কম ঘুমালে মানুষের ভেতরে ৩০ শতাংশ বেশি ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে ( রানার্স ব্লু প্রিন্ট )। কারণ, কম ঘুম মানুষকে অতিরিক্ত খাবারের দিকে ঠেলে দেয়। আর এই অতিরিক্ত খাবার তৈরি করে বাড়তি ফ্যাট। তবে অতিরিক্ত ঘুমানোটাও কিন্তু খুব একটা কাজের কথা নয়। এতে করেও আপনার ওজন বেড়ে যেতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই