মেইন ম্যেনু

শীতেও লোডশেডিং, ভোগান্তিতে পরীক্ষার্থীরা

হঠাৎ কারেই বরগুনায় বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। শীতের মধ্যেও বিদ্যুতের এমন পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে জেলাবাসী ও বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় ও ভোরের দিকে লোডশেডিং মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। এ সময় বই-খাতা ফেলে মোম বা আলোর পিছনে ছুটতে হচ্ছে তাদের।

এসএসসি পরীক্ষার্থিনী বরগুনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্ষা জানায়, ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ ছিল না। পরের দিনের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়েছে মোমের আলোয়। একই অবস্থা হয়েছে ভোর রাতেও। শেষ মুহূর্তে বইয়ে চোখ বুলাতে হয়েছে মোমের আবছা আলোয়।

বর্ষার বড় বোন খুকুমনি বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে বারবার পড়ার টেবিল থেকে মোম জ্বালাতে আসছে বর্ষা। এতে বারবার মনোযোগ বিঘ্নিত হচ্ছে।’

এদিকে, এমন পরিস্থিতিতে আবারো আন্দোলনে নামবেন বলে জানিয়েছেন বরগুনা জেলার বিদ্যুৎ ভোগান্তির সমাধানে গঠিত নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির নেতারা।

নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘বরগুনাবাসীর আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গত ৩ অক্টোবর বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে বরগুনায় আসেন ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিক উদ্দিন। তার কছে আন্দোলনকারীরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করলে তিনি সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন এবং কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে যেভাবে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বাড়ছে তাতে ফের আন্দোলনের বিকল্প নেই।’

এ বিষয় বরগুনা বিদ্যুৎ সরবারহ, ওজোপাডিকো লিমিটেডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রোকনউজ্জামান বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে গ্রিড সাবস্টেশনে সংস্কার কাজ চলায় চাহিদার থেকে ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম দেয়া হচ্ছে বরগুনায়। এতে বাধ্য হয়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।’ অবশ্য কবে নাগাদ এ সমস্যার সমাধান মিলবে তা বলতে পারেননি তিনি।






মন্তব্য চালু নেই