মেইন ম্যেনু

শুভ জন্মদিন মুস্তাফিজ

মুস্তাফিজুর রহমানকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার মতো কিছু নেই। এক বছর আগের মুস্তাফিজুর আর এক বছর পরের মুস্তাফিজুরের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।

বয়স বেড়েছে মাত্র এক বছর। কিন্তু প্রাপ্তির খাতায় যোগ হয়েছে বহু বছরের সাফল্য। ক্রিকেট ইতিহাসে বিশ্বের সেরা বোলাররা যা করতে পারেনি ১৯ বছর বয়সি মুস্তাফিজ তাই করে দেখিয়েছেন। আজ সেই তরুণ তুর্কি মুস্তাফিজের ২০তম জন্মদিন। ১৯ পেরিয়ে ২০ এ পা রাখলেন তিনি।

বাংলাদেশের তরুণ তুর্কির ডাক নাম ‘কাটার মুস্তাফিজ।’ ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেওয়া মুস্তাফিজ এখন বিশ্ববিখ্যাত। ১৯৯৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরায় জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশের উদীয়মান এ তারকা ক্রিকেটার। সাতক্ষীরা থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে কালীগঞ্জ উপজেলার তারালি ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে মুস্তাফিজের বাড়ি। চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি।

মেজো ভাই মোখলেছুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিদিন ভোরে তেঁতুলিয়া থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেলে চড়ে সাতক্ষীরায় অনুশীলনে যেতেন মুস্তাফিজ। দৃঢ় মনোবল আর কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ মুস্তাফিজ এই পর্যায়ে উঠে এসেছেন। অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনুর্ধ্ব-১৯ দলে খেলে মুস্তাফিজ এখন জাতির গর্ব।

বিশ্বের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে মুস্তাফিজ তার প্রথম দুটি একদিনের ক্রিকেট ম্যাচে ১১টি উইকেট লাভ করেন। ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে পাঁচ উইকেট পাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে তুলে নেন ছয় উইকেট। তার চমকপ্রদ পারফরম্যান্সে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ওয়ানডের দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় করে।

টেস্টেও দ্রুত সাফল্য পেয়ে যান মুস্তাফিজ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে বাঁহাতের জাদু দেখিয়ে হন ম্যাচসেরা। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ওয়ানডে ও টেস্ট- দুই ফরম্যাটের অভিষেকেই ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন বাংলাদেশের এই বিস্ময়বালক!

সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে মুস্তাফিজ দ্রুত উপরে উঠছেন। তার সাফল্যে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা বারবার উড়বে, সেই প্রত্যাশা কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর।






মন্তব্য চালু নেই