মেইন ম্যেনু

শেষ মুহূর্তে গুড়ে বালি

রাজশাহী : নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে প্রস্তুত বাগমারায় দুই লাখ ৪২ হাজার ৫৪০ জন ভোটার। প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। ভোটের সব উপকরণ পৌঁছে গেছে উপজেলায়। শুক্রবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের উপকরণ সামগ্রি পৌঁছে যাওয়ার কথা। বৃহস্পতিবার রাত ১২ থেকে প্রচারণা বন্ধ। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় সন্ধ্যায় ব্যস্ত সময় পার করছিলেন উপজেলার ১৬ ইউনিয়নের ৬২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য পদে ৪৬১ জন এবং নারী সদস্য পদে ১৪৫ জন প্রার্থী।

কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতেই ১৬ ইউনিয়নের ভোট স্থগিত করা হয়েছে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়ামাত্র প্রার্থী ও ভোটাররা হতাশ হয়ে পড়ে।

চতুর্থ দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে গুড়ে বালি।

আকর্ষিকভাবে ৭ মে অনুষ্ঠিতব্য বাগমারা উপজেলার ১৬ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় হতাশার কথা জানিয়েছেন বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা।

একদিন আগে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় নিজেদের হতাশার পাশাপশি নেতা কর্মীদের হতাশার কথা তুলে ধরেছেন।

উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ পাঁচকড়ি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘অনেক কষ্ট ও ত্যাগের বিনিময়ে নির্বাচনের শুরু থেকে এই পর্যন্ত এসেছি। ভাবতে পারিনি এভাবে হঠাৎ করে নির্বাচন স্থগিত করবে নির্বাচন কমিশন।’

প্রায় একই প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন ঝিকরা ইউপির বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাইদুজ্জামান রতন। তিনি নির্বাচন কমিশনের এই হটকারী সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, ‘এমনিতেই নির্বাচন কমিশনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কম। তাদের এমন সিদ্ধান্ত সেই আস্থাহীনতা আরো বাড়িয়ে দিবে।’

অপরদিকে, সরকার সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করলেও তারা কিছুটা ভিন্নমত পোষণ করেছেন। মড়িয়া ইউপির আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আসলাম আলী আসকান ও বাসুপাড়া ইউপির আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী লুৎফর রহমান নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় নেতা কর্মীদের হতাশার বিষয় জানিয়ে জানান, যেহেতু এটা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। প্রার্থীদের উচিত এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে ধর্যধারণ করা।






মন্তব্য চালু নেই