মেইন ম্যেনু

শৈলকুপায় জিকে প্রকল্পের প্রধান সেচখালে ভয়াবহ ভাঙন

ঝিনাইদহে শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নে গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ খাল ভেঙ্গে যাওয়ায় জনদূর্ভেগে পড়েছে এলাকাবাসী। পাউবোর কর্মকর্তাদের যোগসাজসে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জনগুরুত্বপূর্ণ প্রধান খালটি পানির চাপে ভেঙ্গে গেছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। তাদের ভাষ্য মতে পকল্প পরিচালক ওয়াহিদুজ্জামানের পছন্দের ঠিকাদারকে অধিক লাভবান করার উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে পাউবোর শতাধীক শ্রমিক থাকলেও সেচ খালের এই ভাঙ্গন রোধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পাউবো অধিনস্থ গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ খালের বৃহৎ অংশ শৈলকুপার সারুটিয়া ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। খালের উপর দিয়ে পাকা সড়কটি লাঙ্গলবাঁধ থেকে কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গেছে এবং প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। গত কয়েকদিন যাবত চরবাখরবা গ্রামের মধ্যে প্রধান খালে ফাটল দেখা দেয়। একই স্থানে অপর ধারে জিকে আওতাধীন প্রকল্পে কাজ করছে শত শত শ্রমিক।

গ্রামের আজাদ হোসেন জানান, স্থানীয়রা পাউবোর কর্মকর্তাদের ডেকে বার বার তাগিদ দিলেও ফাটল মেরামতের কোন উদ্যেগ নেয়নি বরং তারা দাড়িয়ে থেকে ভাঙ্গন প্রত্যক্ষ করে। অভিযোগ উঠেছে বছর শেষে পাউবোর ফান্ড তছরুপ করার জন্যই সুচনা লগ্নে খালের ভাঙ্গন ঠেকায়নি কর্মকর্তারা।

এ সময় নিজস্ব শ্রমিক থাকা সত্বেও তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা না নিয়ে জিকে’র পিডিসহ কর্মকর্তাগণ পুরো ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন। এরপর জনরোষের ভয়ে দ্রুত সটকে পড়েন। চরবাখরবা গ্রামের রফিকুল ইসলাম জানান, দিনভর তাগিদ দিলেও অবহেলার কারনেই খাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

তিনি বলেন কয়েকদিন আগে এ ফাটল বন্ধ করার জন্য একাধিকবার পাউবোর কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। কিন্তু তারা বিষয়টি অগ্রাহ্য করে যখন বিরাট ফাটল দেখা দিয়ে রাস্তা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়েছে, তখন ব্যবস্থা নিয়েছে।

জানা যায়, সেব খাল বেশি করে ভাঙলে বড় বাজেট দেখিয়ে সরকারী অর্থ লোপাট করা যাবে। সে জন্য ছোট ভাঙ্গন থাকতে তারা কর্ণপাত করেন নি।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, কয়েকদিন ধরেই ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা চালানো হচ্ছিল কিন্তু মূল ফাটলের উৎপত্তিস্থল না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপুর্ব রুমার ভৌমিক জানান, দ্রুত কাজ হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে খুব শিঘ্রই ফাটল মেরামত শেষ হবে। তিনি বলেন, সেচ খালের ভাঙ্গনে রাস্তার ক্ষতি হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই