মেইন ম্যেনু

‘শোলে’-র বীরু উঠেছিল, ৪০ বছর পরে তাঁকে নকল করল একটি ষাড়!

রাজস্থানের চুরু জেলার রতনগড় শহরে ৬০ ফুট উঁচু জলের ট্যাংকের মাথায় গত সোমবার কোনওভাবে উঠে পড়ে একটি ষাঁড়। প্রথমে দেখে এলাকার মানুষেরও নিজের চোখকে বিশ্বাস হয়নি।

চল্লিশ বছর আগে বাসন্তীর মাসির কাছ থেকে বিয়ের সম্মতি আদায় করতে জলের ট্যাংকের মাথায় চড়ে ‘সুসাইড’ করতে গিয়েছিল বীরু। কিন্তু রাজস্থানের এই ষাঁড়টিকে তার কোনও বাসন্তী প্রেমে দাগা দিয়েছিল কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। তা হলে বীরুর মতো জলের ট্যাংকের মাথায় চড়ে গোটা গ্রামে হইচই কেন বাধাল এই ষণ্ড, সে উত্তরও পাওয়া যায়নি। তবে ষাঁড়টিকে সুস্থভাবে উদ্ধার করা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ষাঁড়টি এই মুহূর্তে ভাইরাল।

রাজস্থানের চুরু জেলার রতনগড় শহরে ৬০ ফুট উঁচু জলের ট্যাংকের মাথায় গত সোমবার কোনওভাবে উঠে পড়ে একটি ষাঁড়। প্রথমে দেখে এলাকার মানুষেরও নিজের চোখকে বিশ্বাস হয়নি। খবর যায় থানায়। কিন্তু ষাঁড় জলের ট্যাংকের মাথায় ওঠার খবরে থানাও প্রথমে আমল দেয়নি। পুলিশকর্মীরা ভাবেন কেউ মজা করছেন। কিন্তু বার বার একই খবর জানিয়ে থানায় ফোন আসতে থাকায় বিষয়টা দেখতে পুলিশ কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। গিয়ে তাঁদেরও যথারীতি চোখ কপালে। ‘শোলে’-র বীরুর কায়দায় জলের ট্যাংকের মাথায় ষাঁড় দেখে হাসবেন না কাঁদবেন ভেবেই অস্থির হন পুলিশকর্মীরা। ততক্ষণে ভিড়ও বেড়েছে। কীভাবে ষাঁড় উদ্ধার হবে, তাই ভেবেই মাথার চুল ছিঁড়তে থাকেন পুলিশ, প্রশাসনের কর্তারা। অনেক চেষ্টা করে দড়ি এবং সেফটি বেল্ট ব্যবহার করে আট ঘণ্টার চেষ্টায় ষাঁড়টিকে নীচে নামানো হয়।

image (3)

জলের ট্যাংকের মাথায় সেই ষাঁড়।

টুইটারে অবশ্য ষাঁড়ের কীর্তি নিয়ে কম হাসি-মসকরা হয়নি। একজন প্রশ্ন করেন, ‘ষাঁড়টিকে কীভাবে নামানো সম্ভব?’ তাঁর উত্তরে একজন পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন, ‘ষাড়টি ট্যাংকের মাথায় চড়ল কী করে?’

বীরু জলের ট্যাংকের মাথায় চড়ে ‘সুসাইড’-এর হুমকি দেওয়ায় একমাত্র বন্ধু জয় বাদে সব গ্রামবাসীরা তাকে সমবেদনা জানিয়েছিল। বাসন্তীও মাসিকে নিয়ে হাজির হয়েছিল। ষাঁড়টি অবশ্য চুপচাপই দাঁড়িয়েছিল। আত্মহত্যারও হুমকি দেয়নি। তাই বলে তাকে নিয়ে এত ঠাট্টা!






মন্তব্য চালু নেই