মেইন ম্যেনু

শ্বেতার আগেও দেহব্যবসায় জড়িত বলিউডের সাত অভিনেত্রী

হাইপ্রোফাইল যৌন চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। তিনি ২০১৪ সালে আলোচনায় আসেন। এখন আবার বলিউডে কাজ করছেন।

এর আগেও অনেক অভিনেত্রী দেহব্যবসায় জড়িত ছিলেন যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। যদিও শ্বেতার মত রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন অভিনেত্রীর এই ধরণের কাজে লিপ্ত থাকাটা স্বভাবতই সবাইকে অবাক করে। কিন্তু এটাই বোধহয় এই জাঁকজমকের দুনিয়ার বাস্তব সত্য।

বিখ্যাত তামিল অভিনেত্রী ভুবনেশ্বরীও দেহব্যবসার জড়িত ছিলেন। এই অভিযোগে দুই মডেলের সঙ্গে চেন্নাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল এই অভিনেত্রীকে। ২০০৯ সালের অক্টোবরে ভুবনেশ্বরীর প্রতিবেশীরাই পুলিশকে জানিয়েছিল, তার বাড়িতে অনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন লোকের আসা যাওয়া লেগে থাকে।

তামিল ছবির অপর অভিনেত্রী এষা আনসারিকেও যোধপুর পুলিশ সেক্স চক্র চালানোর অপরাধে গ্রেফতার করে। ২০১৩ সালে এশাকে তার তিন পুরুষ সঙ্গীর গ্রেফতার করা হয়। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, এশা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের সেক্স পরিষেবা দিতেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এশার এই সেক্স র‌্যাকেট চলত। এই অভিনেত্রী বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘চলতে চলতে’ ছবিতে কাজ করেছেন।

‘লাইফ কি তো নিকল পরি’ ছবি দিয়েই বলিউডে এন্ট্রি নিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিষ্টি মুখার্জির। মিষ্টিকেও দেহব্যবসার অভিযোগে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। ফ্যাশন ডিজাইনার রাকেশ কটোরিয়ার সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরা পড়েন মিষ্টি। ১৫ তলার এই ফ্ল্যাটবাড়ি উদ্ধার হয় প্রায় একলক্ষ নীল ছবির সিডি ও ডিভিডি। পুলিশ মিষ্টির সঙ্গে তার বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করে৷ কারণ দেহব্যবসার সঙ্গে মিষ্টির গোটা পরিবারই জড়িত ছিল।

এই লিস্টে রয়েছে বিখ্যাত অভিনেত্রী যমুনার নামও। ২০১১ সালে দেহব্যবসার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ আট যুবতী ও একগ্রাহকের সঙ্গে অভিনেত্রী যমুনাকে গ্রেফতার করে।

তেলেগু ধারাবাহিকের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রবণীকে ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি একটি হাই প্রোফাইল সেক্স র‌্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশের তদন্তকারী দল তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এছাড়ও অপর এক তেলেগু অভিনেত্রী সায়রা বানো ও জ্যোতিও সেক্স র‌্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১০ সালে হায়দরাবাদ পুলিশ স্প্রিং স্বর্গ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এই র‌্যাকেটের পর্দা ফাঁস করে৷






মন্তব্য চালু নেই