মেইন ম্যেনু

শ্যামলী রিং রোডের যন্ত্রণা আবর্জনার কন্টেইনার

রাজধানীর শ্যামলী মোড় থেকে ‘রিং রোড’ ধরে মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদের দিকে এগোলে সাজানো গোছানো জহুরি মহল্লায় মন চনমনে হয়ে উঠলেও বাদশাহ ফয়সাল ইন্সটিটিউট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সব ঢেকে যায় দুর্গন্ধে।

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফটকের সামনে রাস্তা দুই বছরের বেশি সময় ধরে পরিণত হয়েছে আবর্জনার অস্থায়ী ভাগাড়ে।

প্রতিদিন নাকচেপে, নোংরা থেকে গা বাঁচিয়ে স্থানটি পেরোতে হয় মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেখেরটেক ও মনসুরাবাদ এলাকার বাসিন্দাদের।

বুধবার সকালে বাদশাহ ফয়সল ইন্সটিটিউটের সামনে গিয়ে দেখা যায়, এলোমেলোভাবে ফেলে রাখা হয়েছে সিটি কর্পোরেশনের পাঁচটি আবর্জনার কন্টেইনার। কয়েকজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী বাসাবাড়ি থেকে সংগ্রহ করে আনা আবর্জনা রিক্সাভ্যান থেকে কন্টেইনারে তুলছেন।

ঢাকনা খোলা কন্টেইনারগুলো থেকে উপচে রাস্তায় পড়ছে আবর্জনা। সারাদিন আবর্জনা জমার পর রাতে সিটি কর্পোরেশনের গাড়ি এসে সেগুলো নিয়ে যাবে।

দুর্গন্ধ আর মাছি- এরই মধ্যে ইন্সটিটিউটের ফটকের সামনে পাঁচ বছর ধরে চা বিক্রি করেন আবদুস সাত্তার।

ময়লার কন্টেইনারগুলো দেখিয়ে তিনি বলেন, “গত দুই বছর ধইরা রাস্তার ওপরে এইগুলা আছে। সারাদিন এইখানে থাকি…গন্ধ তো আছেই, তার ওপর মাছির উৎপাত।”

আদাবর চার নাম্বার রোডের বাসিন্দা মুজিবর রহমান জানান, ঈদের রাস্তায় লোকজন চলাচলও কম বলে সমস্যা ততটা টের পাওয়া যায় না। অন্য দিনগুলোতে কন্টেইনারগুলোর কারণে রাস্তায় জট তৈরি হয়, সে ‘আরেক যন্ত্রণা’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ক্যাপ্টেন (অব.) দীপক কুমার সুর বলেন, “এগুলো (কন্টেইনার) কোথায় রাখব বলেন? রাখার জায়গা কোথায়? বাধ্য হয়েই এগুলো রাস্তায় রাখতে হচ্ছে।”

ময়লার কন্টেইনার রাখার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, রাজউকে চিঠি দিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

সমস্যা সমাধানে কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মেয়র সব ওয়ার্ডে দুটি করে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপনের কথা বলেছেন। এটা হলে আর বাইরে কন্টেইনার রাখার প্রয়োজন হবে না।”






মন্তব্য চালু নেই