মেইন ম্যেনু

শ্যালিকাকে বিয়ে করার জন্য প্রকাশ্যে এ কী করলেন দুলাভাই! সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়!

ভারতের উত্তর বেঙ্গালুরুর নাগাওয়াড়া এলাকায় নির্জন রাস্তায় এক বোরখা পরা মহিলার শ্লীলতাহানির যে অভিযোগ সামনে আসে, তার গোটাটাই সাজানো। এমনটাই জানাচ্ছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, অভিযোগকারী মহিলার সঙ্গে তার ভগ্নীপতি ইরশাদ খানের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। ঠিক করেছিল, তারা বিয়ে করবে। কিন্তু স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজন এই বিয়ে মানবে না ধরে নিয়ে ইরশাদ ছক কষেছিল, শ্যালিকার শ্লীলতাহানি করে ‘তার আর বিয়ে হওয়া সম্ভব নয়’ বলে দাবি করে নিজেই তাকে বিয়ে করবে।

এর মধ্যে বেঙ্গালুরুতে নতুন বছর উপলক্ষ্যে উৎসব চলাকালীন শ্লীলতাহানির ঘটনা সামনে আসায় গোটা প্ল্যান সহজে ছকে ফেলে সে। তবে তার শ্যালিকা এই ছকে জড়িত ছিল কিনা এখনও পরিষ্কার নয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল, তার বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ চলছে।

অভিযোগকারী মহিলা একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করে। তার ভগ্নীপতি সেলস এক্সিকিউটিভ। মহিলা অভিযোগ করে, শুক্রবার ভোর ছটা নাগাদ নাগাওয়াড়া মেন রোডের ওপর বাস স্টপের কাছে এক ব্যক্তি তার শ্লীলতাহানি করে। তাকে জাপটে ধরে মুখের মধ্যে কামড়ে দেয়। দাবি করে, পরে হাসপাতালে যায় সে, সেখানে তার দেহের আঘাত ও জিভের ক্ষতের চিকিৎসা হয়।

কিন্তু শনিবার বয়ান বদলে ফেলে অভিযোগকারিণী। বলে, সে নিজেই জিভ কামড়ে ফেলেছে। ফলে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি হয়। তথাকথিত এই শ্লীলতাহানি নিয়ে বিরাট চেঁচামেচি জুড়েছিল মেয়েটির ভগ্নীপতি। কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে দেখা করে পুলিশি ঔদাসীন্যের অভিযোগে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বার করে সে, বরিষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের সঙ্গে দেখাও করে।

কিন্তু স্থানীয় একটি দোকানের সিসিটিভিতে যে ছবি ধরা পড়ে, তাতেই সন্দেহ ঘুরে যায় ভগ্নীপতির দিকেই। তারপরেই তাকে ধরে জেরা শুরু করেন তদন্তকারীরা। -এবিপি আনন্দ।






মন্তব্য চালু নেই