মেইন ম্যেনু

শ্রমিক সম্মেলনে এসে খালেদার সমালোচনায় মুখর নৌমন্ত্রী

প্রধান অতিথি হয়ে তিনি এসেছিলেন ইমারত শ্রমিকদের সম্মেলনে। তিনি নিজেও শ্রমিক নেতা। কিন্ত বক্তব্যে শ্রমিকদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় গুরুত্ব পেল যৎসামান্যই। বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমলোচনায় মুখর ছিলেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

বিএনপি নেত্রীকে বাংলার ঘসেটি বেগম আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার কাছে খুনি-সন্ত্রাসীরা আশ্রয় নিয়েছে।’

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে ইমারত শ্রমিকদের জাতীয় সম্মলনে তিনি এসব কথা বলেন। ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব) ওই সম্মেলনের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া ঘরে বসে বসে মানুষ হত্যার হুকুম দিয়ে ৯৩ দিন দেশকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা চালায়। আগুনে পুড়িয়ে দেশের অর্থনীতির ব্যাপক ক্ষতি করে। আমাদের ওপর বোমাবাজি করা হয়েছে। আমরা মাথানত করিনি।’

যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতেই খালেদা জিয়ার এমন খুন-খারাপির রাজনীতি দাবি করে তিনি বলেন, জামায়াতের গড়া রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে তিনি (খালেদা) শেখ হাসিনা সরকারের পতন চাইছিলেন। পতন তারই (খালেদা) হয়েছে। পরাজিত সৈনিকের বেশে ঘরে ফিরেছেন।’

খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এবং ক্ষমতার বাইরে থেকেও মানুষ খুন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঘসেটি বেগম যেমন খুনি চক্রকে সঙ্গে নিয়ে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছিলেন, তেমনি বাংলার ঘসেটি বেগম খালেদা জিয়া খুনিদের নিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’

পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ইমরানের খানের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি ঠেকাতে তিনি (ইমরান) প্রধানমন্ত্রীকে ই-মেইল করেছিলেন। পাকিস্তান সরকার যুদ্ধাপরাধ বিচার বানচাল করতে মরিয়া। আর পাকিস্তান সরকারকে বাংলাদেশবিরোধী অবস্থানে সহায়তা করছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া।’

পরে তিনি ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের ১২ দফার সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে ১৪ জন ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের হাতে চেক তুলে দেন।

ইনসাবের সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা সাংসদ নাজমুল হক প্রধান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই