মেইন ম্যেনু

সংলাপের জন্য খালেদার আহ্বান নাকচ করে দিল আ.লীগ

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সংলাপের আহ্বান নাকচ করে দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দেশের রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংলাপের আহ্বান প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-মহাসচিব মাহবুব আলম হানিফ বলেন, ‘দেশে এখন কোনো সঙ্কট নেই। বরং প্রত্যাশার চেয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। গোটা দেশের মানুষের উপর সরকার আস্থার জায়গা সৃষ্টি করেছে। সঙ্কট আছে পাকিস্তানি খালেদার মনে।’

বুধবার দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক মাহাবুব আলম হানিফ বলেন, ‘কার সঙ্গে আমরা সংলাপ করবো? যে নেত্রী একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তার ব্যক্তিগত খায়েশ মোটানোর জন্য নিরীহ-নিরপরাধ মানুষের উপর পেট্রোল বোমা হামলা চালিয়ে সন্ত্রাস করেছিলেন। ২০১৫ সালে ৫ জানুয়ারি পর ৮০ দিন পেট্রোল বোমা হামলা চালিয়েছিলেন কার স্বার্থে? সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় সেই বেগম জিয়া সংলাপের কথা বলছেন, ন্যায়ের কথা বলছেন।’

বাংলাদেশের মানুষ কোনো খুনি-হত্যাকারীর সাথে বৈঠক করা পছন্দ করে না দাবি করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘আন্দোলনের নামে যে ১৪৭ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো, এদের জন্য একবারও দুঃখ প্রকাশ করলেন না। এদের পরিবার ও জাতির কাছে বেগম জিয়া একবারও ক্ষমা চান নাই। খালেদা জিয়া যেকোনো সঙ্কট ও সংলাপের কথা বলার আগে বর্বরাচিতভাবে মানুষ হত্যার দায়ে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ। বেগম জিয়া সরকারের সাথে সংলাপে বসতে চান, অথচ তিনি একদিকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন আরেকদিকে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ এবং তাদের রক্ষার জন্য দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছেন। তার সাথে আর কি সংলাপ হতে পারে?’

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবসের জনসভায় খালেদা জিয়া বলেন, ‘আসুন আমরা আলোচনায় বসি, সংলাপে বসি। কোনো রাগ ক্ষোভ দুঃখ নেই। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আসুন একসাথে কাজ করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান। গণতন্ত্রের জন্য এক সঙ্গে কাজ করতে।’ অবিলম্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বানও জানান তিনি। বলেন, ‘তারা জোর করে ক্ষমতায় আছে, তাই তাদেরই এটা করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সুজিত রায় নন্দী, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই