মেইন ম্যেনু

সকালে চা পানের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!

প্রতিদিন সকালে এক কাপ চা পান বেশ ভালো লাগে। এক কাপ গরম চা মনটাও ভালো করে দেয় এবং সেই সাথে বেশ সতেজও লাগে। এই এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা কি শুধুই অভ্যাসবশত কিংবা স্বাদের জন্য খাওয়া? নাকি এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে?

সকালে চায়ের আছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। তবে সেই চা হওয়া চাই কন্ডেন্সড মিল্ক কিংবা দুধ মুক্ত। অর্থাৎ সকাল বেলা এক কাপ রঙ চা, সবুজ চা কিংবা আদা চা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

যারা চিনি ছাড়া চা খেতে পারেননা তাঁরা চায়ে কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করতে পারেন কিংবা খুব অল্প পরিমাণ চিনি দিয়ে চা খেতে পারেন।

তবে কোনো ভাবেই খালি পেটে চা খাওয়া উচিত হবে না। সঠিক স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে নাস্তার আধা ঘন্টা পর এক কাপ চা পান করুন। আসুন জেনে নেয়া যাক সকাল বেলা চা খাওয়ার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা।

হার্ট এটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে:
কোলেস্টেরল ও প্লেটলেটের জন্য শরীরের রক্ত জমাট বেঁধে স্ট্রোক ও হার্ট এটাকের মত সমস্যাগুলোর সৃষ্টি হয়। নিয়মিত চা খেলে ধমনি পরিষ্কার থাকে এবং রক্ত সহজে চলাচল করতে পারে।

প্রায় ৫-৬ বছর ধরে করা নেদারল্যান্ডের একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে যারা দিনে দুই থেকে তিন কাপ রঙ চা পান করে তাদের বড় ধরণের হার্ট এটাকের ঝুঁকি যারা চা খায়না তাদের তুলনায় ৭০% কম।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
চায়ে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা এবং দূষনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

হাড় রক্ষা করে:
যারা চা পান করেন এবং যারা করেন না তাদেরকে নিয়ে একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে, যেসব ব্যক্তি প্রায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চা খেয়েছে তাদের হাড়, যারা খায়নি তাদের তুলনায় অনেক বেশি মজবুত আছে।

হাড় মজবুত রাখার ক্ষেত্রে চায়ে দুধ দিয়ে খাওয়া ভালো। তবে কন্ডেন্সড মিল্ক না দিয়ে গরুর খাঁটি দুধ দিয়ে চা খেলে প্রচুর ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
নিয়মিত চা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং বিভিন্ন সংক্রমনের থেকে শরীর রক্ষা পায়। গবেষকরা ২১ জন সেচ্ছা সেবীর উপর গবেষনা চালিয়েছেন।

গবেষনায় সেচ্ছা সেবকদের কে দিনে ৪ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৫ কাপ করে দুধ চিনি ছাড়া চা খাওয়ানো হয়েছিলো। ৪ সপ্তাহ পড়ে গবেষকরা তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখেন যে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়:
চায়ে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। এই দুটি উপাদান শরীরকে ক্যান্সারের ঝুকি মুক্ত করতে সহায়তা করে। বেশ কয়েওটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে নিয়মিত রঙ চা খেলে স্তন ক্যান্সার, কোলোন ক্যান্সার ও অন্যান্য আরো কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। তাই ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে চাইলে প্রতিদিন অন্তত এক কাপ রঙ চা খাওয়া উচিত।






মন্তব্য চালু নেই