মেইন ম্যেনু

সত্যি ঘটনা, বৌদ্ধ মন্দিরের ফ্রিজে ৪০টি বাঘের বাচ্চা

থাইল্যান্ডের এক বৌদ্ধ মন্দিরের ফ্রিজের ভেতর থেকে ৪০টি বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়েছে। বিতর্কিত ওই মন্দিরটিতে বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করতে গেলে এসব বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। মন্দিরের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণি পাচার ও প্রাণি নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, পুলিশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তারা সোমবার থেকে মন্দিরে থাকা বাঘগুলোকে উদ্ধারের সময় তল্লাশি চালিয়ে এসব বাঘের বাচ্চা উদ্ধার করেন। কাঞ্চনাবুরি প্রদেশের ওই বৌদ্ধমন্দিরটিতে থাকা ১৩৭টি বাঘের মধ্যে তিনটিকে সোমবারই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিলো।

পুলিশ কর্মকর্তা মেয়ুংসুখুম বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বাঘের বাচ্চাগুলো ফ্রিজ থেকে উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মামলা করা হবে। বাচ্চাগুলো মারা যাওয়ার সময় সেগুলোর বয়স ছিল আনুমানিক ১ থেকে ২ দিনের মতো। তবে বাচ্চাগুলো কতদিন ধরে মারা গেছে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

ওয়াত ফা লুয়াং তা বুয়া টাইগার টেম্পল নামের এই মন্দিরে পর্যটকেরা অর্থের বিনিময়ে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখতে পারতেন, এমনকি ছবিও তুলতে পারতেন।

চীনে বাঘের চামড়া ও হাড় দিয়ে অনেক আগে থেকেই ঔষধ তৈরি করা হয়। বৌদ্ধমন্দিরের ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাঘ রাখা এবং পশু পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও ওই বৌদ্ধমন্দিরে অভিযান চালিয়েছিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। তখন সেখান থেকে শিয়াল, ভালুক ও ধনেশ পাখি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে মন্দিরের সন্নাসীরা বন্যপ্রাণি পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বাঘের বাচ্চা সম্পর্কে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে রাজি হয়নি তারা।






মন্তব্য চালু নেই