মেইন ম্যেনু

সন্তানকে বিয়েতে রাজি করাতে অভিভাবকেরা যে ‘ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল’ গুলো করেন!

মানুষ একটু বিয়ে পাগল কমই হয়ে থাকেন। তরুণ বয়সে নতুন নতুন বুজতে শিখে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন অনেকেই, কিন্তু আরেকটু ম্যচিউরিটি এলে অনেকেই বিয়ের ঝামেলা থেকে বাঁচতেই চান। কিন্তু অভিভাবকেরা বয়স ২০ পার হতে না হতেই বিয়ের জন্য পিড়াপিড়ি শুরু করে দেন। অদ্ভুত ধরণের কথা বলে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করে বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করতে থাকেন। আর বিপদে পড়ে সত্যিই বিয়েতে রাজি হয়ে যান অনেকে।

১) সমাজ সংসার কি বলবে তা নিয়ে ব্ল্যাকমেল করা শুরু হয় সবার প্রথমে। ‘পাশের বাসার অ্যান্টিরা কি বলবে’, ‘মানুষ কি ভাববে’, ‘এতো বেশী বয়সে বিয়ে না করলে মানুষ ভাববে কোনো সমস্যা আছে’ ইত্যাদি ইত্যাদি। যেনো আপনার বিয়ে না করার বিষয়টি বাদে কারো আর চিন্তার বিষয় নেই এবং আপনার বিয়ে না করার বিষয়টি ‘ন্যাশনাল ইস্যু’।

২) ‘তোমার চাইতেও ছোট ছোট ছেলে/মেয়েরা বিয়ে করে ফেলছে’। মূল বক্তব্য হচ্ছে বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে এবং ছোটরা বিয়ে করার বিষয়টি আপনার জন্য অনেক লজ্জার। এই লজ্জা থেকেই যদি বিয়েতে মত দেন তারজন্যই তাদের এই কথা বলা।

৩) ‘বয়স পার হয়ে গেলে বাচ্চা নিতে সমস্যা হবে’। প্রযুক্তি যতোই উন্নত হোক না কেন অভিভাবক কখনোই এই কথা বলা বন্ধ করবেন না। নিজের সন্তানের প্রতি মমতার দোহাই দিয়েই ব্ল্যাকমেল করতে থাকেন।

৪) নাতি নাতনীর মুখ দেখার ব্ল্যাকমেল। কমবেশি সকলেরই অভিভাবক এই কথা বলে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা করেন। তারা খুব ভালো করেই জানেন নিজের নাতি নাতনীর মুখ কবে দেখবেন তা নিয়ে একটু দুঃখ করলেই সন্তানকে বিয়ের জন্য রাজি করিয়ে ফেলা যাবে।

৫) নিজের ছোট ভাইবোন নিয়ে ব্ল্যাকমেল করার বিষয়টি বড় ভাইবোনের সহ্য করতেই হয়। ‘তুমি বিয়ে না করা পর্যন্ত ছোটদের বিয়ে দিতে পারছি না’ ধরণের কথা অনেককেই শুনতে হয়। বিশেষ করে মেয়েদের। বড় ভাই থাকলেও অনেক সময় ছোট বোনকে বিয়ে দিয়ে তারপর বিয়ে করা যায়, কিন্তু বড় বোন হলে তা একেবারেই সম্ভব নয়।

*এখানে যদিও ব্ল্যাকমেল বলা হচ্ছে, কিন্তু এগুলো সন্তানের ভালোর জন্যই অভিভাবকেরা বলে থাকেন এবং সন্তানের জন্য চিন্তা করেন বলেই বলেন।

সূত্রঃ bollywoodshaadis






মন্তব্য চালু নেই