মেইন ম্যেনু

সন্তানের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

মা মামলা করলেন সন্তানের বিরুদ্ধে ঘটনাটি ঘটেছে গোসাইরহাট বকাউল কান্দি গ্রামে । গত ১৪ই মার্চ সোমবার স্বর্ণ অলংকার চুরির অভিযোগে মা ফতেমা বেগম শরীয়তপুর বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট এর আমলী (গোসাইরহাট) আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত আবুল বকাউল মামলা কাঁধে নিয়ে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

মামলার বিবরণে প্রকাশ, শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার বকাউল কান্দি গ্রামের নান্নু মিয়া বকাউলের স্ত্রী মোসাঃ ফতেমা বেগম (৭০) গত ০৫ মার্চ শনিবার নিজের গলার স্বর্ণের চেইন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ৯ দিন পর ১৪ই মার্চ সোমবার স্বর্ণ অলংকার চুরির অভিযোগে শরীয়তপুর বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট এর আমলী (গোসাইরহাট) আদালতে সন্তান আবুল বকাউল এর বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেছেন।

এ ব্যাপারে আবুল বকাউল বলেন, ১৯৯৬ সালে মালায়শিয়া যাই। ১৬ টি বছর আমি মলিায়শিয়া কাটাই। এতো বছরে যা টাকা রোজগার করেছি সব টাকা আমার বাবা নান্নু মিয়া বকাউলের কাছে পাঠাতাম। আমি ২০১১ সালে মালায়শিয়া থেকে চলে আশি। বাংলাদেশে এসে আমি যে টাকা পাঠাইছি তার হিসাব চাই। হিসাব চাইলে বাবা জানান তোর ভাই কাশেম বকাউল ও ইসমাঈল বকাউল এর কাছে টাকা আছে। দুই ভাইর কাছে টাকা চাইলে তারা বলেন টাকা দিয়ে জমি কিনেছি।

আসলে জমি দলিল হয়েছে কাশেম বকাউল ও ইসমাঈল বকাউল দুই ভাইর নামে। এ বিষয় নিয়ে বিতর্ক হলে দুই ছেলে কাশেম বকাউল ও ইসমাঈল বকাউলকে স্বাক্ষী করে মা আমার বিরুদ্ধে হয়রানী ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। আমি মামলা কাঁধে নিয়ে স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে এই হয়রানীর সুষ্ঠ বিচার চাই।

এ ব্যাপারে মা ফাতেমা বেগম বলেন, আমি মামলাটি করেছি আমার দুই ছেলে কাশেম বকাউল ও ইসমাঈল বকাউল এর পরামর্শে।

এ ব্যাপারে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) সুমন দেব বলেন, আমারা তদন্তের মাধ্যমে জেনেছি আবুল বকাউলের সাথে তার ভাইদের দ্বন্দ চলছে। একাধিকবার গোসাইরহাট থানায় মিমাংশার জন্য বসা হলেও আবুল বকাউলের ২ ভাই মিমাংশা করতে রাজি হয়নি। গত ১৪ই মার্চ সোমবার স্বর্ণ অলংকার চুরির অভিযোগে মা ফতেমা বেগম দুই ছেলেকে স্বাক্ষী করে আবুল বকাউলের বিরুদ্ধে শরীয়তপুর বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট এর আমলী (গোসাইরহাট) আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন।






মন্তব্য চালু নেই