মেইন ম্যেনু

সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমনে দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আজ সারাবিশ্বে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনের দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বের অনেক জায়গায় সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ ব্যাপকভাবে দেখা দিচ্ছে। নিকট অতীতে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদের চারণভূমি ছিলো বাংলাদেশ। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি এগুলো ছিলো বাংলাদেশের পরিচয়।

রাজধানীর গুলশানে পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের নবনির্মিত বাণিজ্যিক ভবন উদ্বোধন শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি এ সব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর থেকে পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেবো না। যে করেই হোক বাংলাদেশে আমরা সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমন করে একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবো। দক্ষিণ-এশিয়ায় বাংলাদেশ একটা উন্নত, শান্তিপূর্ণ দেশ হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে আশা করবো সব সময় মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করবেন। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া, স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। মানুষের মধ্যে যেন সব সময় আস্থা ও বিশ্বাস বজায় থাকে।

এ সময় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকালীন সহিংসতা ও চলতি বছরের শুরুতে হরতাল অবরোধের সহিংসতা মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবদানের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাই গোয়েন্দা সংস্থাকে, তারা সময়মতো তথ্য সংগ্রহ করেছে। সব গোয়েন্দা সংস্থা সম্মিলিতভাবে এ তথ্য একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে যেখানে যার যে দায়িত্ব সেটা যথাযথভাবে পালন করেছে বলেই আমরা সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে পেরেছি। সেখানে পুলিশ বাহিনীর বিরাট একটা ভূমিকা ছিলো।’

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে জ্বালাও-পোড়াও, বিএনপি-জামায়াত পুলিশকে টার্গেট করে তাদের ওপর আক্রমণ করা, তাদের হত্যা করা, পুড়িয়ে মারা, সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মারা, এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রীপরিষদ সদস্য, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহিদুল হক ও পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।






মন্তব্য চালু নেই