মেইন ম্যেনু

সন্ত উপাধি পাচ্ছেন মাদার তেরেসা

পোপ ফ্রান্সিস মাদার তেরেসাকে দ্বিতীয় অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এই স্বীকৃতির ফলে আগামী বছর তার সন্ত পাওয়ার পথ পরিষ্কার হলো। আজ শুক্রবার ভ্যাটিকান থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভ্যাটিকান থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ধর্মীয় সভায় পবিত্র পিতা মাদার তেরেসাকে সন্ত উপাধি দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, তিনি হলেন দ্বিতীয় অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী।’
ক্যাথলিক সংবাদপত্রের খবরে বলা হয়, মাদার তেরেসা গরীবের চেয়েও অতি গরীবদের জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখে ক্যানোনাইস (মহাত্ম দান) অনুষ্ঠানে তাকে সন্ত বলে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত কোলকাতাভিত্তিক দাতব্য সংস্থার মুখপাত্র সুনিতা কুমার বলেছেন, ‘আজ সকালে মাদার তেরেসাকে সন্ত স্বীকৃতির বিষয়ে আমরা আনুষ্ঠানিক একটি চিঠি পেয়েছি। এ নিয়ে আমরা আনন্দে উদ্বেলিত।’

শান্তিতে নোবেল জয়ী এই মানবতাবাদী নারী ১৯৯৭ সালে ৮৭ বছর বয়সে পরলোক গমন করেন। ২০০৩ সালে প্রয়াত দ্বিতীয় পোপ জন পল মাদার তেরেসাকে বিউটিফায়েড স্বীকৃতি দেন। বিউটিফিকেশন প্রথম অলৌকিক স্বীকৃতি, যা সন্ত স্বীকৃতি পাওয়ার সর্বশেষ ধাপ।

ক্যাথলিক পাত্রিকা আভেনিরে বৃহস্পতিবার জানায়, তিনদিন আগে ভ্যাটিকানের বিশেষ ধর্মীয় সভায় বিশেষজ্ঞরা মাদার তেরেসাকে সন্ত উপাধি দেওয়ার কারণ হিসেবে বলেন, দুরারোগ্য মস্তিষ্কের রোগে আক্রান্ত ব্রাজিলের এক ব্যক্তিকে সারিয়ে তুলেছিলেন মাদার তেরেসা। ওই ঘটনার জন্য তাকে দ্বিতীয় অলৌকিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মাদার তেরেসাকে সন্ত উপাধির ঘোষণা প্রসঙ্গে এক টুইটার বার্তায় লিখেছেন, ‘২০১৬ সালে মাদার তেরেসাকে সন্ত উপাধি দেওয়া হবে- এ খবরে আমি খুবই আনন্দিত। আমি তার প্রতিষ্ঠিত দাতব্য সংস্থার সব ধরনের সফলতা কামনা করছি।’

আলবেনিয়ান পরিবারে জন্ম নেওয়া মাদার তেরেসা ১৯৫১ সালে ভারতের নাগরিকত্ব পান।

তথ্যসূত্র : এনডিটিভি অনলাইন।






মন্তব্য চালু নেই