মেইন ম্যেনু

সন্ধান পাওয়া গেল এক হিংস্র প্রজাতির মাছ!

সাগরের তলদেশে রয়েছে হাজারো প্রজাতির মাছ। তবে আজ আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো সাগর জলের হিংস্র ও বিষধর এক প্রজাতির মাছের সাথে।

মাছটির নাম ভাইপার ফিস। এরা ডলফিনের সমগোত্রীয়। ভাইপার ফিস ডলফিন প্রজাতির হলেও লম্বা মুখ আর সূচের ন্যায় তীক্ষ্ণ দাঁতের জন্য এই মাছগুলো অন্যসব প্রাণী থেকে একেবারেই আলাদা।

এদের ধারালো দাঁতগুলো তাদের দেহের তুলনায় এতোটাই বড় যে, তারা তাদের মুখ বন্ধ করতে পারে না। ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা এ মাছগুলো বাস করে সাগরের ১৩,০০০ ফুট নিচে।

ভাইপার ফিস দ্রুত সাঁতার কাটতে পারায় এদের খাবার নিয়েও কোন চিন্তা করতে হয় না। এছাড়া এদের মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত উপরের অংশটা খণ্ড খণ্ড ভাগে বিভক্ত। ফলে ইচ্ছা হলেই এরা যে কোনো দিকে বাঁক দিতে পারে।

এই মাছগুলোর শিকার ধরার পদ্ধতি শুনলে অনেকেই অবাক হবেন। কেননা শিকার করার জন্য এরা প্রথমে ছোট মাছগুলোকে তাড়িয়ে অন্ধকার গুহার মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়।

অন্ধকারে অন্যান্য মাছ যখন কিছুই দেখে না, তখন ভাইপার ফিস নিজের চোখের রং একের পর এক বদলাতে থাকে। এতে ছোট মাছগুলো বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং সে আলোয় আকৃষ্ট হয়ে কাছে আসা মাত্রই বিষাক্ত ও ধারালো দাঁত দিয়ে খেয়ে ফেলে ছোট মাছগুলোকে। এছাড়া এ মাছগুলো সারাক্ষণই ব্যস্ত থাকে শিকারের ধান্দায়।

নারী ভাইপার ফিস বছরে একবার জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে। এই মাছগুলোর আয়ু ১৫-২০ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। এ মাছেরা সমুদ্রের গভীরে বসবাস করে বলে শিকারের হাত থেকে এরা প্রায় মুক্ত থাকে।






মন্তব্য চালু নেই