মেইন ম্যেনু

সন্ধ্যায় ঢাকায় পা রাখছেন মমতা

ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসার একদিন আগেই আজ শুক্রবার ঢাকা আসছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মোদির এক দিন আগে চলেও যাবেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র দিল্লি ও ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকা পৌঁছাবেন মমতা। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

আজ মোদি ও মমতার সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

আগামী ৬ জুন দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন নরেন্দ্র মোদি। মোদি তার সফরসঙ্গী হিসেবে মমতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেও শেষ পর্যন্ত এক ফ্লাইটে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জানা গেছে, তিস্তা চুক্তিকে কেন্দ্র করে মমতা কৌশলী অবস্থান নিয়েছেন।

নরেন্দ্র মোদির এই সফরে ছিটমহল বিনিময়, বাণিজ্য ও বিদ্যুৎসহ ডজনখানেক চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে মিজোরাম ছাড়া বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরাও মোদির সফরসঙ্গী হচ্ছেন।

তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে তিস্তা চুক্তি করার আশ্বাস দেয়ায় ঢাকা আসতে আপত্তি জানিয়েছিলেন মমতা। তিস্তা চুক্তি হবে না- এই আশ্বাসে মমতা ঢাকা আসতে রাজি হন।

জানা গেছে, ৬ জুন স্থল সীমান্ত চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন মমতা। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার আরো কয়েকটি অনুষ্ঠানে থাকার কথা থাকলেও তিনি সেগুলোতে থাকবেন না বলে নবান্ন সূত্রে জানা গেছে।

আর ৩৬ ঘণ্টার সফরে মোদি ঢাকা আসবেন পরের দিন ৬ জুন। ওই দিনই ভারত বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তি সাক্ষরের কথা রয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েই উড়াল দেবেন মমতা।

মমতা কেন এমন শিডিউল করলেন তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে কূটনৈতিক অঙ্গনে। কলকাতার টেলিগ্রাফ পত্রিকা এক প্রতিবেদনে নবান্নে সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনো বিরূপ পরিস্থিতির মুখে পড়তে চান না মমতা।

স্থল সীমান্ত নিয়ে গত ৪ দশকের চলা সঙ্কট সমাধানে একমত হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে ভারতের পার্লামেন্টে সর্ব সম্মতভাবে স্থল সীমান্ত বিল অনুমোদন করা হয়েছে।

সফর সূচি অনুযায়ী মমতা সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে নিয়ে আলাদাভাবে ঢাকা আসবেন। এতে তার মূখ্য সচিবও থাকছেন। তার পছন্দের অনুষ্ঠানে তিনি যাতে যোগ দিতে পারেন সে কারণেই তার এভাবে আসা।






মন্তব্য চালু নেই