মেইন ম্যেনু

সব থেকে বড় গোয়েন্দা বাড়ির বউরা: ইন্দ্রাণী হালদার

ছয় বছর পর বাংলা মেগাসরিয়ালে ফিরে সন্ধ্যার টিআরপির দায়িত্ব এখন তাঁরই কাঁধে। সে বউমা ডিটেকটিভ ‘গোয়েন্দা গিন্নি’ ইন্দ্রাণী হালদার। সুপারহিট এ মেগাসিরিয়ালের প্রধান ভূমিকার অভিনয় করা ইন্দ্রাণী কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা আনন্দবাজারের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন বাস্তব জীবনের গোয়েন্দা গিন্নির খবর।

গোয়েন্দা গিন্নির ইউএসপি রহস্য সম্পর্কে এ অভিনেত্রী বলেন, ‘গোয়ান্দা গিন্নি’ সিরিয়ালের আসল রহস্য হলো এ সিরিয়ালে কোনো নেগেটিভ দেখানো হয় না। সাধারণত টিপিক্যাল ডেলি সোপে ননদ মানেই খারাপ শাশুড়ি মানেই দজ্জাল, আমরা তা দেখাই না। তাই দর্শকদের কাছে এটা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

সিরিয়ালে পরমার সঙ্গে বাস্তবের ইন্দ্রণীর সঙ্গে অনেকা মিল রয়েছে এ সিরিয়ালে। কারণ সিরিয়ালের অভিনেত্রী বাস্তবেও পরিবারের সকলকে নিয়ে থাকতে ভালোবাসে। আর সে কারণে চরিত্রটা আত্মস্থ করতে আমার সময় লাগেনি তার।

বহু ছবিতে অভিনয় করা ইন্দ্রাণীর গৃহিণীর সাজ একেবারে পছন্দ নয়। তিনি বলেন, ব্যক্তি হিসেবে আমি ক্যাজুয়াল থাকতে পছন্দ করি। শাড়ি কোনো অনুষ্ঠান ছাড়া পরা হয় না।

আর শাঁখা-পলা, সিঁদুর তো কিছুই পরা হয় না। পরমার সঙ্গে মনের দিক থেকে মিল থাকলেও বাহ্যিক দিক থেকে কোনো মিল নেই বলেও আনন্দবাজারকে জানান তিনি।

‘গোয়ন্দা গিন্নির’ দাপুটে গিন্নি বাড়ির সব গৃহিণীদের উদ্দেশ্য বলেন, বাড়ির গৃহিণীরা মন দিয়ে সংসার করলে সেই সংসারে কোনো ঝামেলা হয় না। কারণ সংসারের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সব গোয়েন্দাগিরি।

সংসার চালানোর বুদ্ধিটা ঠিকঠাক থাকলে অনায়াসে গোয়েন্দা হওয়া যায়। সব থেকে বড় গোয়েন্দা বাড়ির বউরাই। যাদের সবদিকে সবার নজর থাকে।

টিভিতে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া গেলেও সেই জনপ্রিয়তা স্থায়ী নয় বলে মনে করেন এ অভিনেত্রী।






মন্তব্য চালু নেই