মেইন ম্যেনু

‘সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে অভিযোগ নেয়া হবে’

জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বরেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অনলাইনে অভিযোগ গ্রহণ প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। গণমুখী, জবাবদিহীমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রশাসন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অনলাইনে গৃহীত অভিযোগসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একজন ফোকাল পয়েন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। শিগগিরই এ প্রক্রিয়ায় দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন অভিযোগের নিষ্পত্তি করা যাবে।

রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

তিনি আরোও জানান, জনপ্রশাসনকে দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত ও গতিশীল করতে ইতোমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি ও পদায়ন নিশ্চিত করার জন্য প্রচলিত এসিআরের পরিবর্তে কর্মকৃতি ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি (এপিআর) প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা পরীক্ষামূলক ভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রবর্তন করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, জবাবদিহীমূলক, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধসম্পন্ন, জনবান্ধব ও তথ্য সমৃদ্ধ সরকারি সেবা-ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কর্মচারীদের আইনসম্মত নিরাপত্তা বিধান করা এবং তাদেরকে জনসেবায় প্রস্তুত করার লক্ষ্যে সরকারি কর্মচারী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আইনের খসড়া ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে।

মন্ত্রী জানান, জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সময় সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি-১৩ অনুযায়ী সম্পদের হিসাব বিবরণী গ্রহণ এবং সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে বৈধ আয়ের উৎস প্রদর্শনপূর্বক অনুমতি প্রদান করা হয়।
নিয়োগ পরীক্ষার ফি কমানো হচ্ছে না

সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ পরীক্ষার ফি কমানো ও ফি গ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিলের ক্ষেত্রে আপাতত সরকারের কোন পরিকল্পনা নেই বলে সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

সরকারি দলের সদস্য এস এম মোস্তফা রশিদীর প্রশ্নোত্তরে তিনি আরো জানান, সরকারি চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের কাছ থেকে পে-অর্ডার/চালান/ পোষ্টাল অর্ডার নেয়ার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে বিসিএস পরীক্ষার ক্ষেত্রে ‘অনগ্রসর নাগরিক” ব্যতীত সকল প্রার্থীর জন্য অফেরতযোগ্য সাতশ এবং একশ’ টাকা নেওয়া হয়। এছাড়াও ১৩-১৭ গ্রেডের পদে কর্মচারী নিয়োগের জন্য অফেরতযোগ্য একশ’ টাকা এবং ১৮-২০ গ্রেডের পদে কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে অফেরতযোগ্য ৫০ টাকা ফি নেওয়া হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে নিয়োগ পরীক্ষার ব্যয় নির্বাহের জন্য স্বল্প পরিমাণ ফি আদায় করা হয়ে থাকে। তাই নিয়োগ পরীক্ষার ফি কমানোর ক্ষেত্রে আপাতত কোন পরিকল্পনা নেই।






মন্তব্য চালু নেই