মেইন ম্যেনু

‘সরকারের ভয়ে বিএনপির অনেকে হকারের কাজ করছে’

দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যাচারে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বসবাসরত বিএনপির সমর্থক অনেকেই এখন ঢাকায় হকারের কাজ করছে।’

রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে মঙ্গলবার দুপুরে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘আমার দেশ অনলাইনসহ ৩০টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধের প্রতিবাদ ও আমার দেশ পড়তে চাই, মাহমুদুর রহমানের মুক্তি চাই’ শীষর্ক এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘রাজধানীতে চলাফেরার অনেক সময় যানজটে বসে থাকি। এ সময় হকাররা এসে যখন চিনে ফেলে তখন বলে স্যার আমি লক্ষ্মীপুরে বিএনপি করতাম। মামলার কারণে পালিয়ে ঢাকা এসে হকারি করছি। রিকশা চালাচ্ছে আমাদের ছেলেরা।’

অধিকার আদায়ে সবাইকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগেও বলেছি, এখনো বলছি, আপনারা যদি গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও হারানো অধিকার ফিরে পেতে চান তাহলে কালবিলম্ব না করে অন্তত একবার সোচ্চার আওয়াজ তুলুন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন নতুন আইন তৈরি করা হচ্ছে। দেশে রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার এখন পুরোপুরি স্বৈরতান্ত্রিক একদলীয় শাসন বাস্তবায়নে ফ্যাসিস্ট সরকারে পরিণত হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে এইসব নতুন নতুন আইন। আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা করার বিধান গৃহীত হওয়ার পথে। কাজেই এ থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে। কারণ এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না।’

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘দেশে বর্তমানে জঙ্গিবাদের নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ধরা হচ্ছে। কারণ এ প্রক্রিয়ায় ভয়ভীতির পাশাপাশি বাণিজ্য ভালো হয়। প্রতিদিন ক্রসফায়ার চলছে। কাউকে কাউকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর আর খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’

প্রতিবাদ সভার একপর্যায়ে বিএনপি মহাসচিব ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হওয়া বেশ কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশে গুপ্তহত্যায় জড়িত সন্দেহে যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে তাদের সবাইকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। তাহলে কোথায় তদন্ত, কোথায় জঙ্গিবাদের মূল উৎসের তথ্য?’

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (একাংশ) মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই