মেইন ম্যেনু

সহজ যে ব্যায়ামগুলো চেয়ারে বসেই করতে পারেন

অনেকেই ব্যায়াম না করার একটি বড় অজুহাত দেখান সময় না পাওয়ার। কিন্তু আপনার কাজের মাঝেই যদি একটু সময় করে করে নিতে পারেন কয়েকটি ব্যায়াম তাহলে আপনার একঘেয়েমিতাও কেটে যাবে। চলুন আজ এমন কিছু ব্যায়ামের কথাই আজ জেনে নিই যেগুলো আপনি চেয়ারে বসেই করতে পারবেন।

১। চেয়ারে সোজা হয়ে বসে আপনার পা দুটোকে সামনের দিকে প্রসারিত করুন। পায়ের আঙ্গুলগুলো আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠান তবে গোড়ালি যেনো মেঝেতে লেগে থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। কিছুক্ষণ এই অবস্থায় থাকুন এবং পুনরাবৃত্তি করুন কয়েকবার।

২। আপনি কি কখনো ফুটবল খেলোয়ারদের একই জায়গায় বসে ওয়ার্ম আপ এক্সারসাইজ করতে দেখেছেন? আপনিও আপনার পায়ের চলনের উন্নতি ঘটাতে পারেন একই রকম ব্যায়াম করে। হ্যাঁ আপনার চেয়ারে বসেই আপনি জগিং করুন ৩০ মিনিট যাবৎ।

৩। চেয়ারে বসেই আপনি আপনার ডান পা টা মেঝে থেকে কয়েক ইঞ্চি উপরে উঠান যাতে আপনার হাঁটু বাঁকা হয়। এভাবে কয়েক মিনিট থাকুন। তারপর বাম পা দিয়েও একইরকম ভাবে করুন।

৪। চেয়ারে বসে আপনার ডান পা টি সামনের দিকে প্রসারিত করে উপরের দিকে উঠান যেন তা কোমর বরাবর ও মেঝের সমান্তরালে থাকে। এভাবে কিছুক্ষণ রাখুন এবং বিরতি নেয়ার পর অন্য পা দিয়েও একই রকমভাবে করুন।

৫। আরেকটি সহজ ব্যায়াম আপনি চেয়ারে বসেই করতে পারেন আর তা হচ্ছে শোল্ডার শ্রাগ। এটি করার জন্য চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার কাঁধ দুটো উপরের দিকে উঠান। তারপর কাঁধ দুটোকে সামনের দিকে ও পেছনের দিকে ঘোড়াতে থাকুন। এই ব্যায়ামটি করলে ঘাড় ও কাঁধের টেনশন কমবে এবং যেকোন সময়ই এটি করতে পারেন।

৬। ব্যায়ামের ক্ষেত্রে হাতের আঙ্গুলগুলোই সবচেয়ে অবহেলিত থাকে। আপনার একটি হাত ডেস্কের উপর রাখুন যেন আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে থাকে। এবার অন্য হাত দিয়ে ডেস্কের উপর রাখা হাতটির একটি আঙ্গুল উপরের দিকে উঠিয়ে চেপে ধরুন, এই সময় অন্য আঙ্গুল গুলো ডেস্কে লাগানো থাকবে। কিছুক্ষণ পর এই আঙ্গুলটি ছেড়ে দিয়ে এর পাশের আঙ্গুলটি উঠান, এভাবে প্রতিটা আঙ্গুলে করুন। এই ব্যায়ামটি আঙ্গুলের টেনশন কমতে সাহায্য করবে।

৭। কাঁধের আরেকটি সহজ ব্যায়াম হচ্ছে – চেয়ারে সোজা হয়ে বসে আপনার একটি কাঁধ উপরের দিকে কান পর্যন্ত উঠান। এভাবে কিছুক্ষণ রাখুন। কিছুক্ষণ রিলেক্স করার পরে অন্য কাঁধেও পুনরাবৃত্তি করুন। এটি কাঁধের চাপ কমতে সাহায্য করবে।

৮। চেয়ারের সামনের প্রান্তে এসে বসুন। হাত দুটোকে সামনের দিকে প্রসারিত করুন। পিঠ সোজা রাখুন এবং পেটের পেশী সংকুচিত করুন। এভাবে কিছুক্ষণ থাকার পর বিশ্রাম নিন এবং পুনরায় করুন। একে এবডোমিনাল স্ট্রেচ বলে। এর ফলে পিঠ ও পেটের পেশীর স্ট্রেচিং হয়।

৯। দীর্ঘক্ষণ বসে যারা কাজ করেন তাদের জন্য আরেকটি সহজ এক্সারসাইজ হচ্ছে ঘাড় ঘুরানো। আপনার চিবুকটি উপরের দিকে উঠিয়ে আপনার ঘাড় একবার ডান পাশে তারপর বাম পাশে কাঁত করুন। এই ব্যায়ামটি দিনে কয়েকবার করুন। এতে ঘাড়ের চাপ কমবে।






মন্তব্য চালু নেই