মেইন ম্যেনু

সাঈদীর রায় অবৈধ, সাঈদী পুত্রের বিস্ময়কর ফেসবুক স্ট্যাটাসে তোলপাড়!

বাংলাদেশের ২১ তম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বাণীতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “কোনো কোনো বিচারপতি রায় লিখতে অস্বাভাবিক বিলম্ব করেন। আবার কেউ কেউ অবসর গ্রহণের দীর্ঘদিন পর পর্যন্ত রায় লেখা অব্যাহত রাখেন, যা আইন ও সংবিধান পরিপন্থী।”

বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমারের এই নতুন ব্যাখ্যায় নড়েচড়ে বসেছেন অনেকেই । মাওলানা সাঈদীর ফাঁসি ও আজীবন কারাদণ্ড লিখেছিলেন বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক । সিনহার এই বক্তব্যের পর সাঈদীপুত্র মাসুদ তার ফেবুকে লিখেছেন,

অভিনন্দন মাননীয় প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা আপনাকে। অবসরপ্রপ্ত বিচারপতিরা রায় লিখতে পারবেন না, আপনার এই বক্তব্যই সঠিক। আপীল বিভাগের সাবেক শাচৌ মানিককে আর কোনো রায় লিখতে দিবেন না আপনি, এটাও আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক অবসরে যাওয়ার পর অবৈধভাবে ত্রয়োদশ সংশোধনীর যে রায় লিখেছেন এটাও বাতিল করুন। একইভাবে সাবেক বিচারক শাচৌ মানিক অবসরে থাকাকালীন সময়ে অবৈধভাবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আপিলের রায় লিখেছেন, তাও অবৈধ, দয়া করে সেটাও বাতিল করুন।

সংবিধান সমুন্নত রাখার স্বার্থে এভাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের লেখা যত রায় আছে ১৫তম, ১৩তম, ৫ম, ৭ম সংশোধনী মামলার রায়, মাজদার হোসেন মামলার রায়সহ সব বাতিল করুন। যেসব ত্রুটিপূর্ন অবৈধ রায় পাওয়া যাবে, সব বাতিল করে পূনরায় বিচারের ব্যবস্থা করুন।
প্লিজ আরেকটা কাজ করুন অনারেবল প্রধান বিচারপতি !

আর সেটা হলো সুপ্রীম কোর্টের সব বিচারকরা নিজেদেরকে বিচারপতি লিখেন। কিন্তু এটা অসাংবিধানিক। সংবিধান অনুসারে বিচারপতি একজন, সেটা হলো প্রধান বিচারপতি, আর বাকীরা সবাই বিচারক (Judge)। আপনি রুলিং দিয়ে বিচারপতির অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করুন।
কারন, বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৪

(১)-এ বলা হয়েছে-
”বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট” নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে,

(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি “বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি” নামে অভিহিত হইবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে,

(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করিবেন।






মন্তব্য চালু নেই