মেইন ম্যেনু

সাকক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচন অনেক গুলো যদি’র মধ্যে আটকে আছে

অনেকগুলো যদি’র মধ্যে আটকে আছে সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভা নির্বাচন। এলাকার হাজারো ভোটারের একটাই জিজ্ঞাসা যদি ভোট সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ সুষ্ঠ ভাবে সম্পন্ন হয় তাহলে কে হবেন পৌরসভার মেয়র, কে হবেন কাউন্সিলর? যদি সব ভোটারকে কেন্দ্রে যেতে না দেওয়া হয় ? ্উপজেলা ভোটের মত অবস্থা হবে নাতো । এমনি হাজারো প্রশ্ন ঘুরে ফিরছে ভোটারদের মাঝে। উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় আছেন সাধারন জনগন।

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত কলারোয়া পৌরসভার এটি ২য় নির্বাচন। নির্বাচনে কে হবেন ২য় পৌর পিতা এ নিয়ে ভোটারদের কৌতুহল সবচেয়ে বেশী। ইতোমধ্যে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা কমিশনার বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা অবশ্য গত নির্বাচনে কমিশনার পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বুধবার সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বিরতীহীনভাবে ভোট গ্রহন করা হবে। পৌরসভার ৯টি ভোট কেন্দ্রর ৬৩ টি কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতী সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ,র‌্যাব,বিজিবি ও আনসার ভিডিপি’র কর্মকর্তা ও সদস্যরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। কলারোয়া থানার একটি সূত্র থেকে জানা যায়, নির্বাচনে নায়েক সুবেদার আহম্মদ আলীর নেতৃত্বে এক প্লাটুন বিজিবি সদস্য ,আনসার ভিডিপি’র ১২৬ জন পুরুষ ও নারী সদস্য,র‌্যাব এর ১৪ সদস্য এবং পুলিশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অফিসার ও কনেস্টবল ভোট কেন্দ্রের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সর্বদা প্রস্তুুত থাকবেন।

নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দু’জন,বিএনপি’র ১ জন ও জাতীয় পাটির ১ জন মেয়র পদে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ভোট যুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। বিশেষজ্ঞগণ মনে করছেন আওয়ামীলীগের মধ্যে দুজন প্রার্থী হওয়ার কারনে গত বারের মত এবারো বিএনপি’র প্রার্থী জিতে যেতে পারেন।

সোমবার মধ্যরাত থেকে ভোটের প্রচার প্রচারণ শেষ হলে ও এখন চলছে ভোট কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের পোষ্টার টাঙ্গানোর প্রতিযোগীতা। বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে ভোট কেন্দ্রর এলাকাগুলো ছেয়ে ফেলেছেন পোষ্টার ও লিফলেট দিয়ে।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪ টি কেন্দ্র ঝুকিপূর্ন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হলো তুলশীডাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,কলারোয়া জি কে এম কে

পাইলট হাই স্কুল, মুরারীকাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোপীনাথপুর সরঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র। ঐ সমস্ত কেন্দ্র গুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
সব কিছু ছাপিয়ে এবারের কলারোয়া পৌর সভা নির্বাচনে বাড়তি কৌতুহল এনেছে মহিলা কমিশনার পদে দিথি নামে একজন হিজড়ার প্রতিদ্বন্দিতা। বিবিসি সিনএনএন সহ দেশের প্রায় সব কটি টিভি চ্যানেল ও প্রিন্ট মিডিয়া গুরুত্ব সহকারে প্রচার করেছে।

নির্বাচন সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়ার ব্যাপারে নির্বচন কমিশন থেকে সব রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে পৌরসভার ১৮ হাজার ৫শ ২৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।






মন্তব্য চালু নেই