মেইন ম্যেনু

সাকিবের এই ছবিটিই ক্রিকেটের বর্ষসেরা

পৃথিবীর ভূস্বর্গ হিসেবে খ্যাত ভারতের কাশ্মীর উপত্যকা। অথচ সেখানকার বালক থেকে তরুণরা নিরাপত্তা বাহিনীর দিকে পাথর ছুড়ে চলেছে। প্রতিরক্ষা করতে গিয়ে সেনা ও পুলিশ সরাসরি রাইফেল ব্যবহার না করলেও ছড়রা বন্দুকের গুলি ছুড়ছে। এটাই হলো সেখানকার নিত্য দিনের দৃশ্য। এই কাশ্মীরেরই ক্রিকেটার গোলাম রসুল। যিনি খেলছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে। তবে এই প্রতিবেদনের বিষয় রসুল নন। সাকিব মজিদ নামের এক তরুণ। শখের বসে রাস্তা-ঘাটে ছবিও তুলে থাকেন। সেই ছবিই তাকে সারাবিশ্বে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

কাশ্মীরের শ্রীনগরে শরতের এক বিকেলে তোলা একটি ছবিই সাকিব মাজিদকে এনে দিয়েছে বিশ্বজোড়া খ্যাতি। অসাধারণ এক ছবি তুলে জিতে নিয়েছেন ‘২০১৬ উইজডেন-এমসিসি ক্রিকেট ফটোগ্রাফ অব দ্য ইয়ার” পুরস্কার।

পেশায় ইঞ্জিনিয়ার শ্রীনগরের সাকিব মাজিদ শখের ফটোগ্রাফার। পুরষ্কার পাওয়া এই ছবিটি পেতে তাকে ব্যয় করতে হয়েছে আধা ঘন্টা সময়। মহা মূল্যবান এই সময় টুকুই মাজিদকে বিশ্ব বিখ্যাত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

দ্বিতীয় এশিয়ান হিসেবে উইজডেন-এর বর্ষসেরা আলোকচিত্রী হওয়ার পথে ৪৫০ জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে মোকাবেলা করতে হয়েছে সাকিবকে। কিভাবে এমন ছবি তুললেন এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শরতের এক বিকেলে, এক বন্ধুকে নিয়ে নিশাত উদ্যানে গিয়েছিলাম কিছু ছবি তোলার জন্য। সেখানে গিয়ে দেখি, চিনার গাছের নীচে কয়েকজন ক্রিকেট খেলছে। পরের আধ ঘণ্টা শুধু ক্যামেরায় ক্লিক করেছি। ’

সাকিব বলেন, ‘ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড পুরো এক বছর আমার ছবি প্রদর্শন করবে!’






মন্তব্য চালু নেই