মেইন ম্যেনু

সাতক্ষীরার আম বাগান পরিদর্শন করলেন বিশেষজ্ঞগণ

দেশের সর্বাধিক প্রসিদ্ধ সাতক্ষীরা আম বিদেশে ব্যাপকভাবে রপ্তানী করার জন্য একটি শক্তিশালী পরিদর্শক টিম শনিবার সাতক্ষীরার দেবহাটা ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন আম বাগান পরিদর্শনে আসেন। ঐ টিমটি আম বাগান পরিদর্শন শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর মাধ্যমে বিদেশের বিভিন্ন বাজারে সাতক্ষীরার আম রপ্তানী করার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেন।

সরিডারিডাড নেট ওয়ার্ক এশিয়া ও সাতক্ষীার একটি এনজিও এর সফল কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পরিদর্শন টিমটি সাতক্ষীরার আম বাগান পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শন টিমে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ডঃ রজব আলী, , রপ্তানী,খামার বাড়ি ,ঢাকা এর উপ পরিচালক, কৃষিবীদ আনোয়ার হোসেন, শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর, ঢাকা’র উপ পরিচালক কৃষিবীদ হাফিজুর রহমান, কৃষিবীদ মঞ্জুরুল ইসলাম, আম রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান ন্যানো এর পরিচালক ইকবাল হোসেন, সলিডারিডা এশিয়া নেট ওর্য়াকের প্রতিনিধি মুজিবুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি সাতক্ষীরার জেলা ট্রেনিং অফিসার জি এম গফুর,কলারোয় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মহসীন আলী প্রমূখ।

পরিদর্শন টিমের কর্মকর্তারা জানান,গত বছর সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলা থেকে ২১ মেট্রিক টন আম ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানী করা হয়েছিল। এবারের মৌসূমে আরো বেশী আম যাতে রপ্তানী করা যায় সে জন্য জেলার কলারোয়া ও দেবহাটা উপজেলাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ দু’উপজেলার আম চাষীদের উৎপাদিত বালাইমুক্ত আম ব্যাপকভাবে বিদেশে রপ্তানী করে সাতক্ষীরার কৃষিতে একটি নতুন বিপ্লব সৃষ্টি করা হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রারণ অফিস থেকে জানানো হয় কলারোয়া উপজেলায় ২ শ ৭৫ হেক্টর জমিতে ১ হাজার ৮শ ১৫ টি আম বাগান রয়েছে। ১২৫০ জন কৃষক সরাসরি আম চাষের সাথে জড়িত আছেন। তারা প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার ১২৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করে থাকেন। এ ছাড়া এখানে প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনায় ব্যাপক ভাবে আমের চাষ করা হয়। পরিদর্শন টিম কলারোয়ার উত্তর সোনাবাড়িয়া গ্রামের আম চাষী ইসমাঈল হোসেন এর আম বাগান সহ আরো ৪/৫ টি আম বাগান পরিদর্শন করেন।

ন্যানো এর পরিচালক ও সিইও ইকবাল হোসেন জানান, আমরা বাংলাদেশ থেকে প্রচুর পরিমানে বিষমুক্ত শাকসবজি ও ফল বিদেশে রপ্তানী করে থাকি। তারই অংশ হিসেবে কলারোয়া থেকে বিষ মুক্ত আম উৎপাদন করে নেদারল্যান্ড ভিত্তিক ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সলিডারিডা এশিয়া নেট ওয়ার্ক এর সফল প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী মৌসূমে আরো বেশী বেশী করে আম বিদেশে রপ্তানীর লক্ষে আমরা এখানে এসেছি। আশা করি স্থানীয় কৃষি অধিদপ্তর ও আম চাষীদের সহযোগীতায় আমরা সেটা করতে পারবো।

আম চাষী ইসমাঈল হোসেন তার বাগানে উৎপাদিত আম যাতে বিদেশে রপ্তানী করতে পারেন সে ব্যাপারে সহযোগীতা করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।






মন্তব্য চালু নেই