মেইন ম্যেনু

সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গায় সরিসা চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষীরা

একরামুল কবীর, সাতক্ষীরা : উৎপাদিত ধানের বাজার মূল্য কম,বীজ বপনের ৭৫ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে ফলন,বাজার মূল্য বেশী এবং উৎপাদন খরচ কম হওয়ার কারনে সাতক্ষীরা জেলার ঝাউডাঙ্গা এলাকায় এবারের মৌসূমে চাষীরা সরিষা চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের ঝাউডাঙ্গা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসান রেজা জানান, ঝাউডাঙ্গা ব্লকের তুজলপার,ঝাউডাঙ্গা মোহনপুর সহ বিভিন্ন মাঠের ৫০০ একর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। একর প্রতি উৎপাদন হয়েছে ১৮ মন। ঝাউডাঙ্গা বাজারে খোজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে প্রতি মন সরিষা বিক্রি হচ্ছে ১৭শ’থেকে ১৮ শ’ টাকা। এ হিসাবে চাষীরা প্রতি বিঘা জমি থেকে ১০ হাজার ২শ’টাকা থেকে ১০ হাজার ৮শ’টাকার সরিষা বিক্রি করছেন।এতে করে খরচ খরচা বাদ দিয়ে তাদের প্রায় ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা লাভ হচ্ছে।

চাষীরা এবারের মৌসূমে বারী ১৪ জাতের সরিষার বীজ বপন করেছিলেন। এটি সাধারনতঃ আমন ও বোরো ধানের মধ্যবর্তী ফসল। বাজারে সরবরাহকৃত ভোজ্য তেলে মাত্রাতিরিক্ত কোলেষ্টার’র কারনে ডাক্তারগণ ঐ সমস্ত তেল না খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সরিশা তেল কোলেষ্টার মুক্ত। সে কারনে গত কয়েক বছর ধরে সরিষা তেলের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। এলকার সরিষা চাষী জিয়া,মানিক ঘোষ, শংকর ঘোষ সহ চাষীরা এ প্রতিবেদককে জানান, বাজারে ধানের দাম কম থাকার কারনে চাষীরা গত কয়েক বছর ধরে ব্যাপকভাবে সরিষা চাষের প্রতি ঝুকে পড়েছেন। চাষীরা আরো জানান মৌ বক্স স্থাপন হলে তা থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ % বেশী সরিষা উৎপাদন হয়। জেলার অন্যান্য স্থানে মৌ ব্ক্স স্থাপন হলেও ঝাউডাঙ্গা এলাকায় কোন মৌ বক্স স্থাপন হয়নি।

আগামী মৌসূমে সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করে উৎপাদন বাড়ানোর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই