মেইন ম্যেনু

সাতক্ষীরার ঝাউডাঙ্গা জোনাল বিদ্যূৎ অফিসের গ্রহকেরা ভুতুড়ে বিলের কবলে পড়ে দিশেহারা

ভুতুড়ে বিলের কবলে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সাতক্ষীরার পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির গ্রাহকেরা। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিস গত জুন মাসের বিল প্রস্তুত করে গ্রাহকদের বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয় চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে। ইস্যু করা বিদ্যূৎ এর বিলে টাকার পরিমান দেখে ভীমরি খাওয়ার মত অবস্থা পল্লী বিদ্যূৎ এর গ্রাহকদের।

ঝাউডাঙ্গা বাজারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মটর ম্যাকানিক জানান, তার বাজারের বানিজ্যিক মিটারে গত মে মাসে বিল এসেছিল ১৬ শ’৫৭ টাকা। কিন্তু জুলাই মাসে বিল এসেছে ২ হাজার ৮শ’ ১৪ টাকা। যা গত মাসের চেয়ে ১১ শ’ ৫৭ টাকা বেশী। একই ব্যাক্তির আবাসিক মিটারে গত মে মাসে বিল এসছিল ৫ শ’৭৯ টাকা। কিন্তু জুন মাসে এসেছে ১ হাজার ৩ শ’ ২৬ টাকা। যা গত মাসের চেয়ে ৭ শ’ ৪৭ টাকা বেশী। অন্য দিকে পাথরঘাটা গ্রামের রজব আলী জানান, গত এপ্রিল মাসে বিল এসেছিল ৭ শ’৭১ টাকা,মে মাসে ৬ শ’ ৮৪ টাকা কিন্তু জুন মাসে বিল এসেছে ২ হাজার ৬ শ’ ৫ টাকা। যা গত মাসের চেয়ে ১ হাজার ৯ শ’ ২১ টাকা বেশী।

শুধু ঝাউডাঙ্গা বা পাথরঘাটা এলাকা নয় কলারোয়া উপজেলা, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সহ ঝাউডাঙ্গা জোনাল বিদ্যূৎ অফিসের আওতাভূক্ত প্রায় সব কটি একাতেই একই অবস্থা। বিদ্যূৎ বিলে অতিরিক্ত পরিমান বিল উঠার কারনে প্রতিদিন হাজারো গ্রাহক ভিড় জমাচ্ছেন জোনাল অফিসে। অফিস কতৃপক্ষ গ্রাহকদের চাপের মুখে সাময়িক নতি স্বীক্ষার করে বিলের উল্লেখিত টাকার পরিমান কমিয়ে আবার নতুন করে বিল করে দিচ্ছেন। টাকার পরিমান কমালেও অতিরিক্ত বিল আগামী মাস থেকে নতুন বিলে সংযোগ করে দেওয়া হবে।

ঝাউডাঙ্গা পল্লী বিদ্যূৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল ইসলাম খাঁন এক প্রশ্নের উত্তরে জানান, মিটার রিডারদের ভুলের কারনে এই অবস্থা। নতুন করে এ এলাকায় অনেক মিটার রিডার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা এ ভুলটা করেছে। তবে আগামীতে আর এ রকম হবে না বলে তিনি আওয়ার নিউজ কে জানান।

উল্লেখ সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের অধীনে প্রায় ৬০ হাজার গ্রাহক রয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই