মেইন ম্যেনু

সাপের বয়স ১৬ কোটি ৭০ লাখ বছর

পৃথিবীতে সাপ এসেছে ১৬ কোটি ৭০ লাখ বছর আগে! প্রাচীন সাপের ফসিল নিয়ে গবেষণার পর এ দাবি করেছেন কানাডার বিজ্ঞানীরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজ্ঞানীদের আগের ধারণার চেয়ে সাপের বয়স ছয় কোটি ৫০ লাখ বছর বেশি। আগে ধারণা করা হতো পৃথিবীতে সাপ এসেছে ১০ কোটি ২০ লাখ বছর আগে।

কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টার একদল গবেষক সাপের চারটি ফসিল নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণায় নেতৃত্ব দেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাইকেল চ্যাডওয়েল। এ সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ন্যাচার কমিউনিকেশনস’।

গত মঙ্গলবার প্রাচীন চারটি সাপের ফসিল নিয়ে গবেষকরা তাঁদের বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। তাঁদের মতে, সাপের চারটি ফসিলের মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীনটি ১৬ কোটি ৭০ লাখ বছর আগের। ১০ ইঞ্চি লম্বা ফসিলটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে পাওয়া গিয়েছিল। অপর ফসিলগুলো পাওয়া গিয়েছিল ব্রিটেন,পর্তুগাল ও যুক্তরাষ্ট্রে। এ তিনটির বয়সও কয়েক কোটি বছরের ওপর।

ফসিল নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাচীন সাপের ফসিলের শরীরে বেশ লম্বা কয়েকটি পা থাকত। এর আগেও সাপের ফসিল গবেষণায় লম্বা পা পাওয়া গেছে।

গবেষকদের মতে, গিরগিটি থেকে সাপের সৃষ্টি হয়েছে। তবে প্রাচীন সাপ তাদের পায়ের ওপর ভর দিয়ে হাঁটত কি না, সে বিষয়ে এখনো তাঁরা নিশ্চিত নন। এটি জানতে প্রাচীন সাপের মেরুদণ্ডের হাড় নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন।

আর্জেন্টিনার ন্যাশনাল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিলের গবেষকদের মতে, বৃহদাকার ডাইনোসরের সময় থেকেই সাপের অস্তিত্ব ছিল। তখন থেকেই এগুলো ভয়ংকর প্রাণী হিসেবেই স্বীকৃত। যুক্তরাজ্যে পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীন সাপের ফসিলের গঠন থেকে মনে করা হয়, এটি ব্যাঙাচি বা এর মতো দুর্বল ও ছোট পোকামাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত। পতুর্গালে পাওয়া সাপের ফসিলটিই সবচেয়ে দীর্ঘ। লম্বায় চার ফিট বা ১ দশমিক ২ মিটার। এটি ১৫ কোটি ৫০ লাখ বছর পুরনো। ধারণা করা হয়, এটি ডাইনোসরের বাচ্চা, পাখি ও ব্যাঙ খেত। অপর দুটি ফসিল গবেষণায় প্রায় একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে।

গবেষক চ্যাডওয়েল বলেন, প্রাচীন সাপের চারটি ফসিলের সঙ্গে বর্তমান সময়ের সাপের মাথার গঠনে মিল পাওয়া যায়। তবে বিষাক্ত সাপের সবচেয়ে প্রাচীন ফসিলটি দুই কোটি বছরের পুরনো।






মন্তব্য চালু নেই