মেইন ম্যেনু

সাপ ও মাছের সংমিশ্রণে ৩৬ ফুট ওরফিশ!

ওরফিশ একটি সামুদ্রিক প্রাণী। দেখতে অনেকটা সাপ ও মাছের সংমিশ্রণ। এরা সাধারণত লম্বায় সর্বোচ্চ ৩৬ ফুট হয়। অগভীর সমুদ্রের এদের বিচরণ। সাপের মতো সাঁতার কাটে অথচ মাছের মতো পাখনাও রয়েছে। চকচকে রূপালি দেহে বর্ণিল রংধনুর মতো আলোকছটা। পাখনাগুলো লাল রঙের। দেহের গঠন বলে, ওরফিশই হয়তো প্রাচীন রূপকথার সৃষ্ট সমুদ্র দানবের প্রেরণা। কিন্তু সমুদ্র দানবের মতো বিশালদেহী হলেও ওরফিশ ক্ষতিকারক বা হিংস্র নয়। সাধারণত জলের পাঁচশো থেকে এক হাজার ফুট গভীরে এদের বিচরণ।

অগভীর জলে বাস করলেও সচরাচর এদের দেখা যায় না। নিজেদের আড়াল করে রাখতে ভালোবাসে বলে খুব কম মানুষই ওরফিশ সম্পর্কে জানেন। রিগেলসিডাই (Regalecidae) বর্গভুক্ত ওরফিশ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা অস্থিযুক্ত মাছ। এদের বৈজ্ঞানিক নাম রিগেলকাস গ্লেইন (Regalecus glesne)। ১৭৭২ সালে প্রথম পিটার আসকেনিয়াস ওরফিশের কথা বিশ্লেষণ করেন। বিবিসি টু এর ন্যাচারস উইয়ার্ডস্ট ইভেন্ট প্রোগামে ওরফিশের একটি বিরল ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, ওরফিশ উলম্বভাবে চলাফেরা করে। সাঁতার কাটার সময় এদের পৃষ্ঠদেশের পাখনা নিশ্চল অবস্থায় থাকে। সমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় এরা জল তরঙ্গের সঙ্গে একেবারেই মিশে যায়।

লস এঞ্জেলসের ন্যাচারাল হিস্টোরি মিউজিয়ামের মৎস্যবিজ্ঞান সংগ্রহ ব্যবস্থাপক রিক ফিনি জানান, ১৭শ শতাব্দীর মধ্যভাগ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, মেক্সিকো, কোস্টারিকা ও জাপানে পাঁচশোরও বেশি ওরফিশ জনসম্মুখে এসেছে। ২০১৩ সালে আমেরিকার সৈকতে দুটি মৃত ওরফিস ভেসে উঠেছিলো। এর মধ্যে একটি পাওয়া গিয়েছিলো ক্যালিয়োর্নিয়া উপকূলে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।






মন্তব্য চালু নেই